Posts Tagged ‘Fun’

Probably after long one month, I finally got some time to spend with myself. Honestly this new job is really checking my capacity to handle stress, tension, work load everything. Everyday morning, I wake up at 7 am, then immediately after waking up, I rush to washroom, get ready, prepare breakfast while getting ready, pack it in lunch box, put it in a bag, arrange my office bag, take car key and start rushing in the Mumbai traffic. Then try not to honk at any point of time on the way to my office putting FM on high pitch and reach my office after travelling 43 km in 1 hour, if lucky, park my car outside office in open parking area, assemble by trouser, take the laptop bag in shoulder, lunch box in other hand start running for lift. Then the permutation combination phase, which life will come fast and probability of getting in is higher as there is no queue in front of life. After participating in that race, I reach office with a smiling face enjoying good morning wish by my sub-ordinates and finally settle, better say leave my ass to settle on a cushy mushy chair. Office boy brings a glass of water and then a hot coffee. The moment I open my laptop and start checking mails in outlook and newspaper in google chrome, intercom rings, hey man, good morning, can you please come for 1 minute? Sometime I think of replying, no sir, I can’t come, but I can’t because at this point of time, I am not having any back up job in my hand and I have a wife, I have a social status, I have a bunch of friends, I have handful of well-wishers and a bunch of bad wishers as well around me who may forget to shit in the morning but never forget to keep their watchful eyes on me. So I can’t just type a letter and throw that on my boss saying, fuck off! Hey, come on, don’t get me wrong, I am not at all frustrated with my job. Actually I enjoy working whole day, attend meetings, taking decisions, make fun of any small funny incidents and take charge of a whole bundle of deliverable. Anyway, I work whole day till evening, may be by 7 pm, I log off and again take my car key to jump in to the battle of returning home. In evening, I usually take long 2 hours to reach at home. So I reach around 9 pm every day, feel blessed when my wife offers me cooked food. O yes, sometime, I take a peg of whiskey and act like drunk to forget all the shit I did whole day including travelling to office and returning back and then enjoy my dinner while watching TV. Then I go to sleep.

So that my daily ordeal. I just don’t do anything apart from the above mentioned schedule. I may take 30 min more in one activity than other but overall the story is same.

Ok now, I guess you are much tired of reading my boring story because I guess you also got almost same like mine. Then let me tell you another story, funny is this is not funny and I assure, your story matches mine and for obvious reason my story matches exactly with yours. To be honest, we everyone have same story in life and still we try to extract thrill out of it. You earn, you socialize, you take responsibilities both at home and at work place, in both place you get bare minimum hike in your salary as well as importance at your home. You earn, you spend, sometime for yourself and most of the time for others only to remain included in that circle but most of the time you end up with getting criticized for what you haven’t done at all, still you smile, keep yourself busy in aspiring more and more with a dream of achieving everything in life as soon as possible hoping there is a world, where everything you do is appreciated without any miss and you continue living. You earn, you fight to streamline what is not in order. With your hard work, dedication, you reach closest to that place and find out while concentrating on one thing, you missed another thing. You again try to assemble that. Your job is never finished.

Hey cool, no need to thank me, we all are co-traveler in same boat. We will never reach our destination and please don’t get frustrated for that. Let’s keep trying.

Sougata

24.05.2017

bermudaভাবা আর করার মধ্যে যতটুকু গ্যাপ লোকের থাকে, আমার তার থেকে একটু হলেও বেশি থাকে, আমি বাপু ভাবতে ভালবাসি, করতে মোটেই ভালবাসিনা আর ভাবনা লিখে ওঠার কথা মাঝে মাঝে ভাবতে ভাবতে আমি আবার ভাবতে বসে যাই। কিন্তু আজ আমি ঠিক করেছি লিখবো, জম্পেশ একটা ভাবনার কথাই লিখবো, সেটা লিখতে গিয়ে আমার ঘুম এসে গেলেও আমি লিখবো, আর লিখতে লিখতে আরও বেশি ভাবনা এসে গেলে সেগুলোকেও আধপেটা করে পিটিয়ে টুপটাপ লিখে ফেলবো। লেখার আগে আমার লেখার কায়দা কানুনগুলো একটু ঠিকঠাক করে নিতে হয়, তার মধ্যে প্রথম হল দরজা জানলা বন্ধ করা, দ্বিতীয় হল ল্যাপটপে সবকটা শপিং সাইট বন্ধ করা, তারপরে তিনটি গুনে গুনে সিগারেট বাবার প্যাকেট থেকে ঝেড়ে খাটের তলায় লুকিয়ে ফেলা। এইসব হয়ে গেলে আসে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, খানিকক্ষণ ভাবলাম সেটা লেখা ঠিক হবে কিনা, কিন্তু ঠিক ভুল ভাবতে বসলে আমি আবার ভাবতেই থাকব, লেখা আর আমার দ্বারা আজ হচ্ছে না। হ্যাঁ, সোজা-সাপটা বলে দি, আমি অন্তর্বাস পরে লিখতে পারিনা, তাই সবার আগে সেটা ত্যাগ করি, তারপরে বাবার অনেক পুরনো একটা জ্যেলজ্যেলে ফতুয়া আছে, সেটা গলিয়ে নি, আর নীচে অপুর বারমুডা।

এবার প্রশ্ন আসবে, অপুটা কে? ঠিক আছে, উত্তর দিচ্ছি, অপু আমার এক্স বয়ফ্রেন্ড। আর হ্যাঁ, অপু নামটা মোটেই আসল নয়, নকল লেখার একটা সুযোগ আমি ছাড়লাম না, কিন্তু এই একটিই। হ্যাঁ টা যা বলছিলাম, মানে ভাবছিলাম, বারমুডাটা সবুজ রঙের, উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ করা, বেশ পুরনো, সামনের দিকে একটা চেন আছে, আর অপুর যেটা হাঁটুর উপর অব্দি হোতো, সেটা আমার থ্রি-কোয়ার্টার হয়ে গেছে। হথাত মনে হল, আজকের ভাবনাটা এই বারমুডা নিয়ে লিখে দিব্যি চালিয়ে দেওয়া যায়। বেশ ভাবাও যাবে আর সঙ্গে লেখাও যাবে, আর অপু এবং তার বারমুডার ইতিহাসটা নেহাতই সাদামাটা নয়। হ্যাঁ, তাহলে এইবার ভাটের বকবক বন্ধ করে কিছু লেখা যাক।

ওকে, কীভাবে লিখবো? অ্যানা ফ্রাঙ্কের মতো বারমুডাকে চিঠি লেখা যেতে পারে, বা নেহাতই অপুকেই একটা চিঠি, শুরুটা হবে এইভাবে, “প্রিয় অপু, তুমি ভাবিতেই পারো নাই আমার হস্তে আবার এই পত্রখানা পাইবে, কিন্তু আজিকার দিবসে সকাল হইতে রোদ্দুর মাখিয়া, তোমার বারমুডা পরিয়া গায়ে হাতে পায়ে তেল মাখিয়া মনে হইতে ছিল এরকম সুন্দর একখানি সুন্দর দিবস তোমার সঙ্গেও কাটাইতে পারিতাম…”, মাফ করিবেন, মানে নিজেই নিজেকে করলাম আর কি, যা তা লেবেলের কাব্যি হয়ে যাচ্ছিলো, মানে বারমুডা পরে তেল মাথার কথা অব্দি তাও ঠিক ছিল, কিন্তু সেটা অপুকে সঙ্গে করে! এটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছিলো।

ঠিক আছে, আপাতত এটা বোঝা গেলো, বারমুডার আসল মালিককে চিঠি লেখা যাবে না, সোজাসুজি বারমুডাকেও চিঠি লেখাটা আমার অসামান্য লেখক প্রতিভার ক্ষমতার একশত কোটি ক্রোশ দূরে। তাহলে!

ইউরেকা, ইউরেকা…না, আমি এখুনি এই পোশাকে দৌড়ে গিয়ে বাথটবে নামতে যাচ্ছি না, কারনটা সিম্পেল, আহা কারনের দরকার নেই জানি, সবাই বারমুডা নিয়ে গল্প পড়তে বসে আমার ইউরেকার গল্প শুনতে চাইছ না, কিন্তু কিছু করার নেই, আমি বাপু স্বভাব লেখক, ভাবনার দাস বলতে পারো, একটু সব জিনিস নিয়ে না  ঠিক জমে না, আর না পড়তে ইচ্ছে করলে কেউ মাথার দিব্যি দেয়নি যে পড়তেই হবে, ভাগ বোকা ছেলে! (BC, এটার পরে একটা স্মাইলি দেওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল!)। আসলে তেল মাখার কথা ভাবা আর বাথটবে না যাওয়ার কারনটা সহজ, এখন শীতকাল, আর আমি দিব্যি দুতিনদিন তিন চারবার করে পারফিয়ুম লাগিয়ে গন্ধ স্নান করতে পারি।

ফেরত এসো বারমুডাতে, তোমাদের না আসলেও চলবে, আর সত্যি বলতে কি আমি ডাকিওনি, গল্পে ফেরত আসতে বললাম।

অপু আর আমি খুব ভালো বন্ধু ছিলাম, এতটাই ভালো যে আমরা একসাথে প্রচুর সময় কাটাতাম, ও আমার বাড়িতে বা আমি ওর বাড়িতে, সেই ক্লাস এইট থেকে, না না, অমলকান্তির গল্প লিখতে বসছি না, প্রমিস! আমাদের ইংরিজির টিচার ছিলেন ধিরেনবাবু, হ্যাঁ, তখন ডি. এম. এর মতো শর্ট বলতে শিখিনি, তো আমরা মোটামুটি একসাথে পড়তাম, একসাথে লিখতাম, একসাথে সময় সুযোগ হলে খেতাম, ক্লাস পালিয়ে গঙ্গার ধারেও গেছি, অবশ্য তখন কলেজে পড়ি। আমাদের বাড়ির লোকের ধারণা ছিল এরা প্রচণ্ড ভালো বন্ধু, আমরাও তাই জানতাম। আমাদের বন্ধুরা বলতো, তোদের তো আলাদা করাই যায়না রে! সত্যি বিন্দাস বন্ধু ছিলাম। আমার আর অপুর দুজনেরই দুটো সাইকেল ছিল, সেটা করে আমরা স্কুলে যেতাম, পড়তে যেতাম আর মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে গঙ্গার ধারে। সত্যি গঙ্গার ধারে যেতে আমার দারুন লাগতো, হয়তো এখনও লাগে। আমি পড়তাম টি শার্ট আর জিন্স, আর অপু ওর বিখ্যাত বারমুডা…সবুজ রঙের, গাড়ীর ছোপ ছোপ। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন মশাই, সেই বারমুডাটি, যেটি বর্তমানে আমি পড়ে আছি। সব থেকে মজার কথা, অপু ক্লাস সেভেন পর্যন্ত নাকি জাঙ্গিয়া পড়তো না, আহা কি সুখের জীবন ছিল ওর! আমাকে তো বোধহয় জন্মই দেওয়া হয়েছিলো ওইসব পড়িয়ে, থাক সেসব কথা, ভাওনাও মে বেহে জানা মেরি গন্দি আদত হে!

একবারের গল্প বলি, তখন আমি কলেজে পড়ি, সক্কাল সক্কাল অপুর ফোন, আজ কলেজ যাবো না, আজ যাবো গঙ্গার পাড়ে, একটা নাটকের গল্প বেশ মনে ধরেছে, কাল সারারাত ঘুমোইনি, ভিক্টোরিয়া জেগে যাবেন বলে তোকে বলা হয়নি, তুই আজ কালটি মেরে দে, চল আমার সঙ্গে, তোকে পুরোটা না বললে শান্তি হচ্ছেনা। আহা, ভিক্টোরিয়া আমি নই, আমার পরম শ্রধ্যেয় মাতৃদেবী, আর অপুর কথা মানে আমার কাছে আদেশ, অমান্য করলেই তিনি নিজে সক্কাল সক্কাল আমার বাড়িতে এসে হাজির হবেন নাটক শোনাতে, সেটা বেশ বিরক্তিকর ব্যাপার। অতএব…

আমি বেশ সেজেগুজে…হ্যাঁ আমি সাজতে ভালোবাসি, নীল রঙের জামার সাথে, পিঙ্ক রঙের নেলপালিশ সুতপা মেনেজ করতে পারে, আমি পারি না। তো যা বলছিলাম, আমি বেশ সেজেগুজে, যতটা কলেজের জন্যে করা যায় আর কি, হাজির হলাম সেক্সপিয়ারের আসরে, সকাল দশটা, আমি স্টেশন পেরিয়ে সাইকেল নিয়ে, পিছনের কেরিয়ারে ব্যাগ আটকে চলেছি গঙ্গার ধারে।

অপু আগেই পৌঁছে গেছিলো, আমাকে জীবনের চরমতম আশ্চর্য করে ওর বিখ্যাত সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ বারমুডা পড়ে। জীবনে খুব কমই অবাক হয়েছি, যে কয়েকবার হয়েছি, তার মধ্যে এটা একটা! আমি বললাম, তুই এটা পড়ে কলেজ যেতিস? অম্লানবদনে জবাব এলো, এক্কেবারে খেয়াল করিনি গুরু, আজ বাবা আমায় পেদিয়ে পোদ্দার করে দেবে। দুর্ভাগ্যবশত, ওর পদবি পোদ্দার!

দুর্ভাগ্য কিন্তু অপুর সঙ্গ সঙ্গেই ছিল। আসা যাক সেই গল্পে, আহা ভাবনা তো একটা জ্যান্ত প্রাণী নাকি! সেও তো আমারই মতন চলতে ফিরতে পারে! আমার দাদার বিয়ে, অবধারিতভাবে অনিমন্ত্রিত কাঁঠালি কলা অপু। সে তার কাঁঠালি কলা সঙ্গে নিয়ে, আহা সত্যিকারের কলার কথাই বলছি, তিন দিন আগে থেকে আমার বাড়িতে। আমার দাদার প্রেম করে বিয়ে, সেটাকে লিখিত ভাষায় অন্য কিছু বলে কি না জানি না, অতএব আমি বউদিকে চিনি ভালো করে, সেও আমাকে চেনে, (বিয়ের পড়ে হাড়ে হাড়ে চেনার কথা! সেটা তিনি ভালো করেই চিনেছেন আশা করি!), আর আমার সঙ্গে আমার স্যাঙ্গাৎ অপুকেও চেনেন।

তিনদিন আগে থেকে আমার বাড়িতে অপু এসে গেলেন দু-কাঁদি কাঁঠালি কলা নিয়ে, কাজের সময় খেতে ভুলে গেলে সবাই কলা দিয়ে যেন ম্যানেজ করতে পারে! অদ্ভুত লজিক। আমার বিজ্ঞ বিজ্ঞ দাদাটি এইসব দেখে এই মারে কি সেই মারে! সে আর কিছু করার নেই, আমার অপু, আমারই দোসর…তাহার বুদ্ধি, চিন্তা ভাবনা বৃহস্পতি গ্রহ থেকে আসিলেও সেটাকে সমর্থন করা আমার আমাশা হওয়ার পরে পটি যাওয়ার থেকেও বেশি দরকারি। অবশ্য মা কিন্তু দারুন আনন্দ পেয়েছিল। আমার কথা ছেড়েই দিলাম! টবে সমস্যাটা ছিল অন্য, কুকুরছানা যেমন তাহার মাতৃদেবী ছাড়া বাঁচে না, যেমতি ব্যাঙ্গাচি জল ছাড়া মৃত, তেমতি, একঘর লোকের সামনে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, গত এগারোটি বছর ধরিয়া (ঠিক আছে, ধরলাম বারমুডাটি’র বয়স চার, তাহলেও…!) তাহার ট্রেডমার্ক সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ নিয়ে এক্কেবারে বিন্দাস এখানে ফুল লাগানো, ওখানে মাসতুতো দিদিকে নিয়ে পার্লারে নিয়ে যাওয়া, পিসতুতো দাদার ছেলেকে নিয়ে সার্কাসের ক্লাউন হয়া…সব করে গেলো।

আমার একটাই ভয় ছিল, সন্ধ্যেবেলা যেন যা তা, মানে ওই বারমুডাটা পরে না চলে আসে! আসেনি…সন্ধ্যেবেলা, আমি যখন মোটামুটি তিনটে লেয়ারের মেকাপ লাগিয়ে আমার নাভি বের করা লেহেঙ্গাতে তৈরি, সারারাত ব্যয় করে সত্যিকরে ঘুমিয়েছি, যাতে চোখের নীচে একটুও কালো না লাগে, অবশ্য তার আগে মাঝরাত অব্দি সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচেছি, অপুর গ্লাস থেকে একটুখানি মালও খেয়েছি, (সেটা অবশ্যই সবার ঘুমনোর পরে), অপু এলো, আমারই পছন্দ করে দেওয়া সোদপুরের পাঞ্জাবী বাজার থেকে কিনিয়ে দেওয়া ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবী, আর গাড় মেরুন রঙের কাজ করা লাল রঙের ধূতি পড়ে…সত্যি সেদিন আমি জীবনে প্রথমবার ওকে ভালোবেসে ফেলি…!!! আমি ক্ষমা চাইছি, এভাবে সবাইকে বলে ফেলার জন্যে। কিন্তু ভালবাসাটা বেড়ে গেছিলো, সেদিন ওকে আবিষ্কার করার পরে, যখন জানতে পেরেছিলাম… সেদিনও ধুতির নীচে ওর সেই সবুজ বারমুডাটা ছিল, গাড়ীর ছোপ ছোপ…

ও হ্যাঁ, অনেক রাত হল, আমি আর ভাবতে পারছি না… যেটা বলা হয়নি, সেটা হল, আমি সিগারেটের সাথে রাম খাচ্ছিলাম, এটা আপনারা কতটা ভাবতে পারেন জানিনা, বাবা-মা না থাকলে আমি বাড়িতেই আমি খাই! আর আমি খাবো আমার স্বামী সঙ্গে থাকলেও। সে আর আমার বয়ফ্রেন্ড আর নেই, কাল বিয়ে আমার… শুভেচ্ছা দরকার খুব একটা নেই, এগারোটা বছর খুব কম নয়, বাকিটা দেখা যাক…!!!

সৌগত

09.01.2017

wp-01

A few days before, I went to Pushkar with my family in my car. There we stayed in a beautiful cottage type hotel where there were lots of greenery and natural beauty. While returning, my wife asked the gardener for some branches of a few trees. She wanted to plant those at our house. We brought those branches all the way from Pushkar to Gurgaon, then kept them in salted water in enough sunlight for 2-3days. In the meantime bought some pots with fertilized soil and one fine morning put those branches one by one in the pot. Actually there were three saplings. One was Indian Rose, and rest two were of two different colored China rose, one light saffron colored and another cherry red. Unfortunately the pot where we planted the rose sapling was broken and it didn’t show any sign to live in our place. Slowly it lost its green and died. Somehow, I believe it didn’t like our place. Then we were left with two very sensitive, tender saplings of China rose. Both of them were losing their hope to stay alive.

It became my routine, everyday morning, I wake up, then spend some good time with those dying plants, water them, touch their yellowish leaves and get ready for my office. It continued for more than one week. Slowly they were dying and I could not do anything. They were losing their leaves very fast.

It was a Sunday morning, I still remember, I woke up, went to the balcony where I have kept them, sat beside them with a mug of fresh water, surprisingly saw the leaves were looking a bit firm, not like dying till yesterday. I was very happy then. It was really a great news to see them finally they got back their strength to live. The very next day found the leave, which was trying to grow, turned yellow, pale and fell down. I spent some more time with that plant that day. Another plant was ok. It was also not in very good health but somehow retained its strength. This continued another week and to my surprise and valuing my hope both the plants became strong enough to hold the soil, stay firm and started growing, showed all good signs to come out of coma. I was very happy to see those two brothers grow, live their life in two small pots.

Now compare this with our own life. We see our kids (though I don’t have any till date). It is like seeing your own self growing infront of you. The seed you planted is slowly, systematically taking a shape, sometime fighting with wounds, illness etc but never giving up the hope to stay alive and you are also not letting him to think like that.

Having a kid is not an easy job. It’s the woman who carries baby in her womb for long nine months withstanding lots of pain, trauma and then the Labor Day pain. After giving birth, direct pain for another one month and then another struggle, nourishing, caring a lump of alive flesh to live, understanding its needs in time and provide that accordingly. It is never an easy job but after seeing that china rose grow, get back its life, seeing its tenacity to live in this earth, somehow I have started feeling the urge of seeing my own self growing infront of me.

It is strange and a bit weird too seeing myself spending time in writing a blog on this rather than discussing the same at my home, with my better half but one thing is clear, blogging is not sending a message to someone, it is kind of expressing yourself and in that way I am not wrong. Life is not a MS Excel sheet where you write the formula and get a desired result. It is actually a refined battle, where a single bullet can cause more harm than a missile.

 

Debraj

30.09.2016

Gurgaon

Situation # 01: there is too much pressure at office due to financial year end. Every day you are working till midnight without getting adequate break from work. After finishing your work, when you reach home, you find your wife waiting with food on the table. You take bath and then sleep on the bed. your wife too sleeps on the same bed and takes a deep breath seeing you fall asleep within no time but considers to stay cool thinking you are having tremendous pressure at work. She tries to sleep but can’t close her eyes due to some aching feeling in her bottom. She moves her hand on her own parts and finds it dry. The next day morning you wake up like you met a zombie last night. You get ready like bullet train and then try your best to get atleast a single bite of breakfast made by your wife. You reach office and again the repetition of same.

Situation # 02: your wife gets tired of you, to be specific, tired of your constant business where you don’t get any time to talk to her and she doesn’t have any job in a city new to her and so no friends too. She watches television, keeps herself whole day active on social networking sites for chatting with people. She gossips about her girlfriend’s husband and of some old male friends. She talks about social media, politics and ‘Cosmopolitan’. In the evening also, when you come back from office, she keeps herself busy with laptop or mobile phone. You get irritated seeing her busy when you are in a mood to talk but as you don’t have time all day long and she has to live with her mobile and laptop, she fails to leave that for even two hours after you get back home.

Situation # 03: you are intelligent and believe in giving space to your better half. You don’t disturb her and comment on her being busy with laptop and mobile but start keeping yourself busy with the same thing of yours and sometime your favorite sports channel. You two have your dinner together and then sleep like there is no tomorrow. Sometime your wife wakes you up or vice versa when you get tired of sleeping, you make love. A love making, which starts in a minute, peaks in two minutes and takes only five minutes to wrap up everything to sleep. Neither you get your proper ejaculation, nor does she get her orgasm.

Situation # 04: she gets angry by seeing your constant business for a long month where she doesn’t get any attention of yours and you, an intelligent person, start getting charm of working more than chatting meaninglessly with your wife but in a family, sometime some issues come which needs discussion. One day your mom in law calls her daughter and invites you and her to visit her place on an occasion. Your wife get dressed well that evening and without complimenting her, you ask for the reason of being well dressed. She swallows her lips twice and says about the invitation. You do a quick financial calculation for the month and the coming quarter and found it to be too tough to manage but your ego resists you to open up with that.Image

Situation # 05: you book her ticket and then assure her to book your own after a few days. You book your ticket too and keep on blaming your mother in law and her invitation. You make every calculation upto its micro level to save a single penny so that without any problem and easily you survive the next few months with limited income and then the point of extra earning comes in your mind and immediately forgetting the official pressure, you start checking ‘Google’ and happily come out with various suggestions, one of which to be freelance journalism. You immediately finish reading all the available topics on the net, even order for a book too. You start dreaming of getting the best freelance journalist award by the world’s best journalist club.

Situation # 06: you discuss the thing with your few old friends and they immediately start talking about all the negative points but one, who once had a soft corner for you, starts liking it immediately. She starts inspiring you to move on and write more. She starts calling you once in a day even after ‘no contact’ situation for last two years. You find her charming and inspiring. You forgot about your wife’s warning to stay away from that friend but get more and more close with her. Now she even guides you about how to write a blog, a news. Your wife always comes with reality and you too work with that only. Suddenly you start feeling you don’t love your wife, actually never loved too but continued to do your part of responsibilities. You get chance to kiss your admirer but not to make love. You adjust it by kissing your admirer and then sleeping with wife in darkness where none care about the facial expression.Image

Situation # 07: one day your wife finds out that relationship and starts crying, to which you fall in deep thought about the source of her information. You check all your message inbox locked and the check your laptop too doubting whether it was hacked but don’t find any clue. But this try of your even make you another Sherlock Holmes. You become master in hacking. You hack her mail id and find that, it’s not only you, even she was also having some hot chats with one of her friend, whom you never liked and always doubted. You feel happy with your fruitful investigation and proof but at the same time, start feeling low too thinking your wife having steamy chat with her friend. You go home and slowly ask your wife about the incident and the progress of relationship with that guy, to which she initially denies and then accepts.Image

Situation # 08: you both start hating each other and start gathering more information about each other. You people start blaming each other for everything with all kinds of truth and emotion mixed words. Then you people involve your parents too in that matter. They try their best but fail as both of you are in full mood to stand on your own points. You again start feeling depressed. You start thinking of having the worst life one ever had on this earth and the idea of writing an autobiography stops you from committing suicide.

Situation # 09: your office keeps a close watch on you. Your office finds you disturbed and suddenly introvert unlike before. You start feeling everyone is good friend of yours except your wife and so some of your close & trusted person come to know the whole reason and don’t waste a single second to deliver that to your boss’s ear. Your boss acts like she knew it from before; atleast doubted it from the very first day but shows kindness to you. She calls you and you go inside her cabin. You adjust your tie and then take out a rough slang before entering her cabin. She offers you to seat. You become conscious of her sudden & uncertain warm behavior but boss is always a boss. She open her drawer and take out two flight tickets to Goa, one for you and another for your Wife (sorry, here Boss would have more romantic and eventful). She offers you to take a week long leave. With utter surprise you take that and come out of her cabin. Suddenly you start loving that gray haired, saggy booby, huge ass boss.

Situation # 10: your wife’s friend from UK who used to chat with her, gets tired of calling her and of constant ‘not reachable’ tone. He gives up and start concentrating on other available resources. Your admirer start developing the idea of writing her own biography and mentioning your name in the ‘thanks giving’ page to show how much her love was pure for you.Image

You take a break and get in to the flight.

02.04.2014

Kabir.