Archive for the ‘Poetry’ Category

bermudaভাবা আর করার মধ্যে যতটুকু গ্যাপ লোকের থাকে, আমার তার থেকে একটু হলেও বেশি থাকে, আমি বাপু ভাবতে ভালবাসি, করতে মোটেই ভালবাসিনা আর ভাবনা লিখে ওঠার কথা মাঝে মাঝে ভাবতে ভাবতে আমি আবার ভাবতে বসে যাই। কিন্তু আজ আমি ঠিক করেছি লিখবো, জম্পেশ একটা ভাবনার কথাই লিখবো, সেটা লিখতে গিয়ে আমার ঘুম এসে গেলেও আমি লিখবো, আর লিখতে লিখতে আরও বেশি ভাবনা এসে গেলে সেগুলোকেও আধপেটা করে পিটিয়ে টুপটাপ লিখে ফেলবো। লেখার আগে আমার লেখার কায়দা কানুনগুলো একটু ঠিকঠাক করে নিতে হয়, তার মধ্যে প্রথম হল দরজা জানলা বন্ধ করা, দ্বিতীয় হল ল্যাপটপে সবকটা শপিং সাইট বন্ধ করা, তারপরে তিনটি গুনে গুনে সিগারেট বাবার প্যাকেট থেকে ঝেড়ে খাটের তলায় লুকিয়ে ফেলা। এইসব হয়ে গেলে আসে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, খানিকক্ষণ ভাবলাম সেটা লেখা ঠিক হবে কিনা, কিন্তু ঠিক ভুল ভাবতে বসলে আমি আবার ভাবতেই থাকব, লেখা আর আমার দ্বারা আজ হচ্ছে না। হ্যাঁ, সোজা-সাপটা বলে দি, আমি অন্তর্বাস পরে লিখতে পারিনা, তাই সবার আগে সেটা ত্যাগ করি, তারপরে বাবার অনেক পুরনো একটা জ্যেলজ্যেলে ফতুয়া আছে, সেটা গলিয়ে নি, আর নীচে অপুর বারমুডা।

এবার প্রশ্ন আসবে, অপুটা কে? ঠিক আছে, উত্তর দিচ্ছি, অপু আমার এক্স বয়ফ্রেন্ড। আর হ্যাঁ, অপু নামটা মোটেই আসল নয়, নকল লেখার একটা সুযোগ আমি ছাড়লাম না, কিন্তু এই একটিই। হ্যাঁ টা যা বলছিলাম, মানে ভাবছিলাম, বারমুডাটা সবুজ রঙের, উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ করা, বেশ পুরনো, সামনের দিকে একটা চেন আছে, আর অপুর যেটা হাঁটুর উপর অব্দি হোতো, সেটা আমার থ্রি-কোয়ার্টার হয়ে গেছে। হথাত মনে হল, আজকের ভাবনাটা এই বারমুডা নিয়ে লিখে দিব্যি চালিয়ে দেওয়া যায়। বেশ ভাবাও যাবে আর সঙ্গে লেখাও যাবে, আর অপু এবং তার বারমুডার ইতিহাসটা নেহাতই সাদামাটা নয়। হ্যাঁ, তাহলে এইবার ভাটের বকবক বন্ধ করে কিছু লেখা যাক।

ওকে, কীভাবে লিখবো? অ্যানা ফ্রাঙ্কের মতো বারমুডাকে চিঠি লেখা যেতে পারে, বা নেহাতই অপুকেই একটা চিঠি, শুরুটা হবে এইভাবে, “প্রিয় অপু, তুমি ভাবিতেই পারো নাই আমার হস্তে আবার এই পত্রখানা পাইবে, কিন্তু আজিকার দিবসে সকাল হইতে রোদ্দুর মাখিয়া, তোমার বারমুডা পরিয়া গায়ে হাতে পায়ে তেল মাখিয়া মনে হইতে ছিল এরকম সুন্দর একখানি সুন্দর দিবস তোমার সঙ্গেও কাটাইতে পারিতাম…”, মাফ করিবেন, মানে নিজেই নিজেকে করলাম আর কি, যা তা লেবেলের কাব্যি হয়ে যাচ্ছিলো, মানে বারমুডা পরে তেল মাথার কথা অব্দি তাও ঠিক ছিল, কিন্তু সেটা অপুকে সঙ্গে করে! এটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছিলো।

ঠিক আছে, আপাতত এটা বোঝা গেলো, বারমুডার আসল মালিককে চিঠি লেখা যাবে না, সোজাসুজি বারমুডাকেও চিঠি লেখাটা আমার অসামান্য লেখক প্রতিভার ক্ষমতার একশত কোটি ক্রোশ দূরে। তাহলে!

ইউরেকা, ইউরেকা…না, আমি এখুনি এই পোশাকে দৌড়ে গিয়ে বাথটবে নামতে যাচ্ছি না, কারনটা সিম্পেল, আহা কারনের দরকার নেই জানি, সবাই বারমুডা নিয়ে গল্প পড়তে বসে আমার ইউরেকার গল্প শুনতে চাইছ না, কিন্তু কিছু করার নেই, আমি বাপু স্বভাব লেখক, ভাবনার দাস বলতে পারো, একটু সব জিনিস নিয়ে না  ঠিক জমে না, আর না পড়তে ইচ্ছে করলে কেউ মাথার দিব্যি দেয়নি যে পড়তেই হবে, ভাগ বোকা ছেলে! (BC, এটার পরে একটা স্মাইলি দেওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল!)। আসলে তেল মাখার কথা ভাবা আর বাথটবে না যাওয়ার কারনটা সহজ, এখন শীতকাল, আর আমি দিব্যি দুতিনদিন তিন চারবার করে পারফিয়ুম লাগিয়ে গন্ধ স্নান করতে পারি।

ফেরত এসো বারমুডাতে, তোমাদের না আসলেও চলবে, আর সত্যি বলতে কি আমি ডাকিওনি, গল্পে ফেরত আসতে বললাম।

অপু আর আমি খুব ভালো বন্ধু ছিলাম, এতটাই ভালো যে আমরা একসাথে প্রচুর সময় কাটাতাম, ও আমার বাড়িতে বা আমি ওর বাড়িতে, সেই ক্লাস এইট থেকে, না না, অমলকান্তির গল্প লিখতে বসছি না, প্রমিস! আমাদের ইংরিজির টিচার ছিলেন ধিরেনবাবু, হ্যাঁ, তখন ডি. এম. এর মতো শর্ট বলতে শিখিনি, তো আমরা মোটামুটি একসাথে পড়তাম, একসাথে লিখতাম, একসাথে সময় সুযোগ হলে খেতাম, ক্লাস পালিয়ে গঙ্গার ধারেও গেছি, অবশ্য তখন কলেজে পড়ি। আমাদের বাড়ির লোকের ধারণা ছিল এরা প্রচণ্ড ভালো বন্ধু, আমরাও তাই জানতাম। আমাদের বন্ধুরা বলতো, তোদের তো আলাদা করাই যায়না রে! সত্যি বিন্দাস বন্ধু ছিলাম। আমার আর অপুর দুজনেরই দুটো সাইকেল ছিল, সেটা করে আমরা স্কুলে যেতাম, পড়তে যেতাম আর মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে গঙ্গার ধারে। সত্যি গঙ্গার ধারে যেতে আমার দারুন লাগতো, হয়তো এখনও লাগে। আমি পড়তাম টি শার্ট আর জিন্স, আর অপু ওর বিখ্যাত বারমুডা…সবুজ রঙের, গাড়ীর ছোপ ছোপ। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন মশাই, সেই বারমুডাটি, যেটি বর্তমানে আমি পড়ে আছি। সব থেকে মজার কথা, অপু ক্লাস সেভেন পর্যন্ত নাকি জাঙ্গিয়া পড়তো না, আহা কি সুখের জীবন ছিল ওর! আমাকে তো বোধহয় জন্মই দেওয়া হয়েছিলো ওইসব পড়িয়ে, থাক সেসব কথা, ভাওনাও মে বেহে জানা মেরি গন্দি আদত হে!

একবারের গল্প বলি, তখন আমি কলেজে পড়ি, সক্কাল সক্কাল অপুর ফোন, আজ কলেজ যাবো না, আজ যাবো গঙ্গার পাড়ে, একটা নাটকের গল্প বেশ মনে ধরেছে, কাল সারারাত ঘুমোইনি, ভিক্টোরিয়া জেগে যাবেন বলে তোকে বলা হয়নি, তুই আজ কালটি মেরে দে, চল আমার সঙ্গে, তোকে পুরোটা না বললে শান্তি হচ্ছেনা। আহা, ভিক্টোরিয়া আমি নই, আমার পরম শ্রধ্যেয় মাতৃদেবী, আর অপুর কথা মানে আমার কাছে আদেশ, অমান্য করলেই তিনি নিজে সক্কাল সক্কাল আমার বাড়িতে এসে হাজির হবেন নাটক শোনাতে, সেটা বেশ বিরক্তিকর ব্যাপার। অতএব…

আমি বেশ সেজেগুজে…হ্যাঁ আমি সাজতে ভালোবাসি, নীল রঙের জামার সাথে, পিঙ্ক রঙের নেলপালিশ সুতপা মেনেজ করতে পারে, আমি পারি না। তো যা বলছিলাম, আমি বেশ সেজেগুজে, যতটা কলেজের জন্যে করা যায় আর কি, হাজির হলাম সেক্সপিয়ারের আসরে, সকাল দশটা, আমি স্টেশন পেরিয়ে সাইকেল নিয়ে, পিছনের কেরিয়ারে ব্যাগ আটকে চলেছি গঙ্গার ধারে।

অপু আগেই পৌঁছে গেছিলো, আমাকে জীবনের চরমতম আশ্চর্য করে ওর বিখ্যাত সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ বারমুডা পড়ে। জীবনে খুব কমই অবাক হয়েছি, যে কয়েকবার হয়েছি, তার মধ্যে এটা একটা! আমি বললাম, তুই এটা পড়ে কলেজ যেতিস? অম্লানবদনে জবাব এলো, এক্কেবারে খেয়াল করিনি গুরু, আজ বাবা আমায় পেদিয়ে পোদ্দার করে দেবে। দুর্ভাগ্যবশত, ওর পদবি পোদ্দার!

দুর্ভাগ্য কিন্তু অপুর সঙ্গ সঙ্গেই ছিল। আসা যাক সেই গল্পে, আহা ভাবনা তো একটা জ্যান্ত প্রাণী নাকি! সেও তো আমারই মতন চলতে ফিরতে পারে! আমার দাদার বিয়ে, অবধারিতভাবে অনিমন্ত্রিত কাঁঠালি কলা অপু। সে তার কাঁঠালি কলা সঙ্গে নিয়ে, আহা সত্যিকারের কলার কথাই বলছি, তিন দিন আগে থেকে আমার বাড়িতে। আমার দাদার প্রেম করে বিয়ে, সেটাকে লিখিত ভাষায় অন্য কিছু বলে কি না জানি না, অতএব আমি বউদিকে চিনি ভালো করে, সেও আমাকে চেনে, (বিয়ের পড়ে হাড়ে হাড়ে চেনার কথা! সেটা তিনি ভালো করেই চিনেছেন আশা করি!), আর আমার সঙ্গে আমার স্যাঙ্গাৎ অপুকেও চেনেন।

তিনদিন আগে থেকে আমার বাড়িতে অপু এসে গেলেন দু-কাঁদি কাঁঠালি কলা নিয়ে, কাজের সময় খেতে ভুলে গেলে সবাই কলা দিয়ে যেন ম্যানেজ করতে পারে! অদ্ভুত লজিক। আমার বিজ্ঞ বিজ্ঞ দাদাটি এইসব দেখে এই মারে কি সেই মারে! সে আর কিছু করার নেই, আমার অপু, আমারই দোসর…তাহার বুদ্ধি, চিন্তা ভাবনা বৃহস্পতি গ্রহ থেকে আসিলেও সেটাকে সমর্থন করা আমার আমাশা হওয়ার পরে পটি যাওয়ার থেকেও বেশি দরকারি। অবশ্য মা কিন্তু দারুন আনন্দ পেয়েছিল। আমার কথা ছেড়েই দিলাম! টবে সমস্যাটা ছিল অন্য, কুকুরছানা যেমন তাহার মাতৃদেবী ছাড়া বাঁচে না, যেমতি ব্যাঙ্গাচি জল ছাড়া মৃত, তেমতি, একঘর লোকের সামনে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, গত এগারোটি বছর ধরিয়া (ঠিক আছে, ধরলাম বারমুডাটি’র বয়স চার, তাহলেও…!) তাহার ট্রেডমার্ক সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ নিয়ে এক্কেবারে বিন্দাস এখানে ফুল লাগানো, ওখানে মাসতুতো দিদিকে নিয়ে পার্লারে নিয়ে যাওয়া, পিসতুতো দাদার ছেলেকে নিয়ে সার্কাসের ক্লাউন হয়া…সব করে গেলো।

আমার একটাই ভয় ছিল, সন্ধ্যেবেলা যেন যা তা, মানে ওই বারমুডাটা পরে না চলে আসে! আসেনি…সন্ধ্যেবেলা, আমি যখন মোটামুটি তিনটে লেয়ারের মেকাপ লাগিয়ে আমার নাভি বের করা লেহেঙ্গাতে তৈরি, সারারাত ব্যয় করে সত্যিকরে ঘুমিয়েছি, যাতে চোখের নীচে একটুও কালো না লাগে, অবশ্য তার আগে মাঝরাত অব্দি সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচেছি, অপুর গ্লাস থেকে একটুখানি মালও খেয়েছি, (সেটা অবশ্যই সবার ঘুমনোর পরে), অপু এলো, আমারই পছন্দ করে দেওয়া সোদপুরের পাঞ্জাবী বাজার থেকে কিনিয়ে দেওয়া ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবী, আর গাড় মেরুন রঙের কাজ করা লাল রঙের ধূতি পড়ে…সত্যি সেদিন আমি জীবনে প্রথমবার ওকে ভালোবেসে ফেলি…!!! আমি ক্ষমা চাইছি, এভাবে সবাইকে বলে ফেলার জন্যে। কিন্তু ভালবাসাটা বেড়ে গেছিলো, সেদিন ওকে আবিষ্কার করার পরে, যখন জানতে পেরেছিলাম… সেদিনও ধুতির নীচে ওর সেই সবুজ বারমুডাটা ছিল, গাড়ীর ছোপ ছোপ…

ও হ্যাঁ, অনেক রাত হল, আমি আর ভাবতে পারছি না… যেটা বলা হয়নি, সেটা হল, আমি সিগারেটের সাথে রাম খাচ্ছিলাম, এটা আপনারা কতটা ভাবতে পারেন জানিনা, বাবা-মা না থাকলে আমি বাড়িতেই আমি খাই! আর আমি খাবো আমার স্বামী সঙ্গে থাকলেও। সে আর আমার বয়ফ্রেন্ড আর নেই, কাল বিয়ে আমার… শুভেচ্ছা দরকার খুব একটা নেই, এগারোটা বছর খুব কম নয়, বাকিটা দেখা যাক…!!!

সৌগত

09.01.2017

Advertisements

pause

It’s been long I actually wrote something. Sometime we prolong our break and sometime we just ponder on work. It’s kind of our psychology. Sometime we nourish our hobbies and sometime we just let things go on as it is. The gap period was like that. I let the life move on of its own without much involving my own self in to it.

I concentrated on job, maintained a harmony of relationships with friends and relatives, tried my best to manage some time for regular exercises, quit smoking for a few good weeks and again didn’t take much time hug it. In these few months, I went to some places like Udaipur, then another trip to Ajmer-Pushkar.

I managed to meet some old friends, had sufficiently enough volume of alcohol of various brands and just let that six months approx time flow like nothing. I didn’t do anything specific but honestly that’s the most satisfying thing. Sometime it really feels good when you actually don’t do anything. This is the time, when you don’t daydream, don’t concentrate much on romanticism, poetry, and don’t find much interest in love making or watching porn.

This is the time when you just don’t bother if speedometer of your car starts crying, you just give bullshit to what your bosses or colleagues talk in your back. You don’t bother to maintain a good health, you don’t ask for a good book to read at leisure, you don’t start a new TV series.

This is the time when you just give damn to some unknown or semi known extra-marital affairs of your very so called near or dear ones and besides, you don’t feel any urge to start one with someone.

It’s just cool, like flowing river, it’s like continuous snowfall without bothering where am I settling may be on top of trees, on stones, on rivers or whatever it is.

And then slowly you start feeling, after so many struggles, after so many real days, you got a real life to live. Then you sleep naked, putting air conditioner on super chilled mode, consume a full 750ml of good wine with ‘n’ numbers of cigarettes, turn left, keeping hands at ninety degree with your body, making a proper ‘F’ where lower hand is managed with your erect dick.

Debraj

22.09.2016

Kabir immediately picked up the mobile and typed a text message, ‘hope you are safe and nothing happened due to that horrible incident in Kolkata’…then a long pause, holding the send button! He was not sure whether to send the message or not? He broke up with Manasi long four years back and since then they never exchanged any word except once, when he sent a message in Facebook, that also after long 3years of that break up. Nope, that experience was not good though. Kabir wrote a few lines in Facebook messenger and finally after one or two days later, got a very strong reply disguised in instruction that, ‘don’t message me or disturb me’.

Kabir still couldn’t remember what actually happened to him, he knew that he will get such kind of reply but still he tried, he even said sorry too though he still doesn’t have any idea of why he would have to say sorry? He didn’t broke up with Manasi, neither Manasi also broke up with him. There were a few tensions, misunderstandings, family drama and conflict of interest, things didn’t go well and so they ended up with a break up. Break up means they stopped being with each other, spending time together or even stopped being in talking terms. It’s like, suddenly a kind of decision and then forgetting whatever good times they had spent once. Kabir sometime wonder, what kind of relationship was that? Though he was the one who pointed out the negative things of that relationship first, still he never knew that their relationship doesn’t deserve a little bit respect when it is over, even then when he himself didn’t mind to say sorry, number of times.

Anyway, a flyover collapsed on Vivekananda Road. The first thing came in Kabir’s mind was simple, Manasi used to stay near there. She used to take that route while going for her tuition or while returning from there. After fighting a lot with his own conscience, he finally took the mobile and typed a message and was in confusion, whether to send or not. He was really worried but he couldn’t do anything. He couldn’t even ask, or send a text message. Actually he was well aware that he will not get any reply, even if he gets, it would not be a nice one.

When did heart listened to brain? Finally Kabir pressed the send button, “hope nothing happened to you in that mishap. I will be really grateful if you could reply with atleast a letter” and then eternal wait. No reply came in next five minutes, not even in ten minutes. Kabir was in a meeting with his CEO and he was the one who was giving the power-point presentation. People from investors, bankers were very much curious about his presentation. He was also very much in to that, until the reply came, a small vibration in pocket, he took out the phone, Manasi replied, “it is very much annoying to receive a message from you. It will be really helpful if you could stop sending me messages or any other way to communicate with me. I am married and let me be happy in my life”. Kabir read the whole thing, the way Manasi replied was not good in anyway but he was happy. Kabir didn’t ask for any favour, he didn’t even requested Manasi to keep in touch or again fall in love with him. He actually didn’t ask for anything. He was just curious, he was panicked and then he was happy to know nothing happened to Manasi. Kabir himself is a married person, so there was no point getting upset knowing Manasi also got married.

Kabir typed a reply, everybody in the meeting room was looking at him, waiting for him to continue with the presentation, but Kabir was busy with the keyboard of mobile, he typed thrice, deleted twice and finally replied, “Thanks….Be happy” and turned his head towards the presentation.

 

Kabir

31.03.2016

Gurgaon

 

WP 1A couple of days before, while cleaning up my room on weekend, after a booze party on Friday night at my place, I got some papers in my room, kind of torn pages from a diary or journal. There was not a single good words written there about me. Yes after working hard in office, spending good enough time at home, managing all the financial needs, buying new stuffs whenever required, dealing with familiar tensions, I was actually having a mind-set that I am doing good. I even gave myself 9 out of 10 in everything. I didn’t show my anger to anyone, I accepted my personal discomfort when I had to support my family, but there was not a single good words written there about me. Yes, after reading those, the whole day I spent in understanding what went wrong and what fault I made. Yeah, I got a few. I understood a few things I ignored considering it would not be noticed but it was noticed and noted down. All of a sudden I started feeling very low. It felt like I failed in an exam though I tried my level best.

WP 2Some negative thoughts also came in my mind like I must not do any more good things. I would have to ask the writer about the false blames, but slowly after spending a whole day with myself, after writing out a small poem, after watching India-Sri Lanka cricket match, I regained my mental spirit and decided not to live in any kind of negativities around me. I made a few rules, regulations for myself to follow. I don’t know how much my readers will connect with this but atleast it made me feel happy, made me strong enough to move on.

  1. Never get in to an argument which has no ending
  2. Never listen what other people say about you
  3. You didn’t take birth in a day and that was also not in your control. Handling any situation demands time and be wise to allot that
  4. Nothing comes for free, not even social service. You get tax exemption, happiness and sometimes a bit fame too
  5. Those who doesn’t have enough work or those who have never achieved anything in their life of their own, are the front runner in criticism business, avoid them
  6. Nurture hobbies, don’t make yourself so busy so that you don’t get time for what you actually enjoy
  7. Don’t keep grudge on anything or anyone, immediately react but don’t drag that far
  8. Enjoy companies of friends, but remember, if you enjoy, then only or else not necessary to get surrounded by people
  9. Exercise without fail. Alarm clock should not wake you up, but your passion should
  10. What is right is always right and what is wrong is always wrong. No need to live with something wrong hoping it will be right someday. It will never be
  11. Study even when you are earning good because studies keep you updated with things and works as natural brain refresher
  12. Attend calls, send mails, chat with people but avoid expecting anything
  13. Save money, save more than you could. Make savings a habit more important than earning also
  14. Enjoy every second. The moment you are dull, you must be sure very soon your surroundings would be dull and you would land in to a soup, middle of nowhere
  15. You can’t change anyone, so don’t try. Yes remember, you also don’t change yourself for anyone. You are fine, good enough
  16. Apart from all the above the things, do some meditation every day and walk for atleast 10,000 steps

WP 3

Debraj

15.02.2016

Gurgaon

ধার দিয়ে বয়ে চলা মসৃণ নদী, তার ধারে চিরকাল একা সেই ঝাউবন, মৌতাতলাগা রোদ্দুর,

মেঘ করেছিল সারারাত, এই চোরাবালি ঢেউ খুজে ফেরা নদীর বুকে বৃষ্টিও হয়েছে সারারাত,

নরম রোদ্দুর তাই আজ শান্ত চোখেমুখে।

সেই কোন ছোটবেলায়, অমলকান্তি যখন রোদ্দুর হতে চেয়ে খেলে বেড়াতো চৌধুরীদের শামিয়ানায়

যখন তরলিত চন্দ্রিকা বয়ে যেতো ফাগুনের আগুন জ্বালাবুকে, বড় হতে চাওয়ার কি নিঠুর পরিহাস-

হেসে চলে যেতো গাদা গাদা বই খাতা আর রাতজাগা ঠাকুরমার ঝুলির ভিতর।

রাত তো এখনও আছে, এখনও তো রাতের রাস্তা নিয়নের জলে স্নান করে,

পসারিণী বেআইনি দেহ বেচে খায়, এখনও সেই পাগল কোন কবি, সময় ভুল করে সারারাত সুর করে ডাকে,

আর এখনও রাস্তার ধারে পড়ে থাকে দেহ, জ্যান্ত, না খাওয়া পাকস্থলী আকাশের দিকে চেয়ে,

আর এখনও সেই জ্যান্ত মৃত দেহটার পাশে, ভিড় করে থাকে আলো।

শুধু বদলে যায় হাজারো চরিত্র, আজ কাল পরশু, এর ভিড়ে চাপা পড়ে যায় জীবন,

যে কথা বাঁচার ছিল, মৃত হয়ে যায় সব।

সময় বড় অদ্ভুত, ছেলেবেলা কখন যেন চলে গিয়ে বড় হয়ে যায় চারপাশ, নাগপাশ বুঝে ওঠে মন, শরীর,

চাওয়ার বিষয় কখন বই ছেড়ে ওঠেনা আকাশের আলো হয়ে,

মাঠে মাঠে খেলে বেড়ানোর সময়, হঠাৎ কোনও সকালে বদলে যায় ভাত, রুটি আর সময় কাটানোর আন্দোলনে,

রঙ আসে দেহে, কখনও লাল, কখনও সবুজ, একরাশ ঘেন্না, আর সেই ঘেন্না চলতে থাকে

আবহমান, আবহকাল, আলোর পথ বন্ধ করে,

ভাললাগা প্রেম ভাষা বদল করে, কোনদিন এক কফিহাউসের কোণে ছুঁড়ে ফেলে কবিতার খাতা

হাতে তুলে নেয় লাঠি, মুখে ভরে নেয় ভাষা, আর এই চাষাদের দেশে রঙ দিয়ে হয় জীবন লেখা,

সারাটা দিনের শেষে, আলো সব কালো হয়ে আসে

সারাটা জগত ঘুমিয়ে থাকে, সব ওই জ্যান্ত মৃত দেহটার মত।

 

দেবরাজ

09.09.2014

Delhi