Archive for the ‘Peace’ Category

Probably after long one month, I finally got some time to spend with myself. Honestly this new job is really checking my capacity to handle stress, tension, work load everything. Everyday morning, I wake up at 7 am, then immediately after waking up, I rush to washroom, get ready, prepare breakfast while getting ready, pack it in lunch box, put it in a bag, arrange my office bag, take car key and start rushing in the Mumbai traffic. Then try not to honk at any point of time on the way to my office putting FM on high pitch and reach my office after travelling 43 km in 1 hour, if lucky, park my car outside office in open parking area, assemble by trouser, take the laptop bag in shoulder, lunch box in other hand start running for lift. Then the permutation combination phase, which life will come fast and probability of getting in is higher as there is no queue in front of life. After participating in that race, I reach office with a smiling face enjoying good morning wish by my sub-ordinates and finally settle, better say leave my ass to settle on a cushy mushy chair. Office boy brings a glass of water and then a hot coffee. The moment I open my laptop and start checking mails in outlook and newspaper in google chrome, intercom rings, hey man, good morning, can you please come for 1 minute? Sometime I think of replying, no sir, I can’t come, but I can’t because at this point of time, I am not having any back up job in my hand and I have a wife, I have a social status, I have a bunch of friends, I have handful of well-wishers and a bunch of bad wishers as well around me who may forget to shit in the morning but never forget to keep their watchful eyes on me. So I can’t just type a letter and throw that on my boss saying, fuck off! Hey, come on, don’t get me wrong, I am not at all frustrated with my job. Actually I enjoy working whole day, attend meetings, taking decisions, make fun of any small funny incidents and take charge of a whole bundle of deliverable. Anyway, I work whole day till evening, may be by 7 pm, I log off and again take my car key to jump in to the battle of returning home. In evening, I usually take long 2 hours to reach at home. So I reach around 9 pm every day, feel blessed when my wife offers me cooked food. O yes, sometime, I take a peg of whiskey and act like drunk to forget all the shit I did whole day including travelling to office and returning back and then enjoy my dinner while watching TV. Then I go to sleep.

So that my daily ordeal. I just don’t do anything apart from the above mentioned schedule. I may take 30 min more in one activity than other but overall the story is same.

Ok now, I guess you are much tired of reading my boring story because I guess you also got almost same like mine. Then let me tell you another story, funny is this is not funny and I assure, your story matches mine and for obvious reason my story matches exactly with yours. To be honest, we everyone have same story in life and still we try to extract thrill out of it. You earn, you socialize, you take responsibilities both at home and at work place, in both place you get bare minimum hike in your salary as well as importance at your home. You earn, you spend, sometime for yourself and most of the time for others only to remain included in that circle but most of the time you end up with getting criticized for what you haven’t done at all, still you smile, keep yourself busy in aspiring more and more with a dream of achieving everything in life as soon as possible hoping there is a world, where everything you do is appreciated without any miss and you continue living. You earn, you fight to streamline what is not in order. With your hard work, dedication, you reach closest to that place and find out while concentrating on one thing, you missed another thing. You again try to assemble that. Your job is never finished.

Hey cool, no need to thank me, we all are co-traveler in same boat. We will never reach our destination and please don’t get frustrated for that. Let’s keep trying.

Sougata

24.05.2017

Advertisements

bermudaভাবা আর করার মধ্যে যতটুকু গ্যাপ লোকের থাকে, আমার তার থেকে একটু হলেও বেশি থাকে, আমি বাপু ভাবতে ভালবাসি, করতে মোটেই ভালবাসিনা আর ভাবনা লিখে ওঠার কথা মাঝে মাঝে ভাবতে ভাবতে আমি আবার ভাবতে বসে যাই। কিন্তু আজ আমি ঠিক করেছি লিখবো, জম্পেশ একটা ভাবনার কথাই লিখবো, সেটা লিখতে গিয়ে আমার ঘুম এসে গেলেও আমি লিখবো, আর লিখতে লিখতে আরও বেশি ভাবনা এসে গেলে সেগুলোকেও আধপেটা করে পিটিয়ে টুপটাপ লিখে ফেলবো। লেখার আগে আমার লেখার কায়দা কানুনগুলো একটু ঠিকঠাক করে নিতে হয়, তার মধ্যে প্রথম হল দরজা জানলা বন্ধ করা, দ্বিতীয় হল ল্যাপটপে সবকটা শপিং সাইট বন্ধ করা, তারপরে তিনটি গুনে গুনে সিগারেট বাবার প্যাকেট থেকে ঝেড়ে খাটের তলায় লুকিয়ে ফেলা। এইসব হয়ে গেলে আসে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, খানিকক্ষণ ভাবলাম সেটা লেখা ঠিক হবে কিনা, কিন্তু ঠিক ভুল ভাবতে বসলে আমি আবার ভাবতেই থাকব, লেখা আর আমার দ্বারা আজ হচ্ছে না। হ্যাঁ, সোজা-সাপটা বলে দি, আমি অন্তর্বাস পরে লিখতে পারিনা, তাই সবার আগে সেটা ত্যাগ করি, তারপরে বাবার অনেক পুরনো একটা জ্যেলজ্যেলে ফতুয়া আছে, সেটা গলিয়ে নি, আর নীচে অপুর বারমুডা।

এবার প্রশ্ন আসবে, অপুটা কে? ঠিক আছে, উত্তর দিচ্ছি, অপু আমার এক্স বয়ফ্রেন্ড। আর হ্যাঁ, অপু নামটা মোটেই আসল নয়, নকল লেখার একটা সুযোগ আমি ছাড়লাম না, কিন্তু এই একটিই। হ্যাঁ টা যা বলছিলাম, মানে ভাবছিলাম, বারমুডাটা সবুজ রঙের, উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ করা, বেশ পুরনো, সামনের দিকে একটা চেন আছে, আর অপুর যেটা হাঁটুর উপর অব্দি হোতো, সেটা আমার থ্রি-কোয়ার্টার হয়ে গেছে। হথাত মনে হল, আজকের ভাবনাটা এই বারমুডা নিয়ে লিখে দিব্যি চালিয়ে দেওয়া যায়। বেশ ভাবাও যাবে আর সঙ্গে লেখাও যাবে, আর অপু এবং তার বারমুডার ইতিহাসটা নেহাতই সাদামাটা নয়। হ্যাঁ, তাহলে এইবার ভাটের বকবক বন্ধ করে কিছু লেখা যাক।

ওকে, কীভাবে লিখবো? অ্যানা ফ্রাঙ্কের মতো বারমুডাকে চিঠি লেখা যেতে পারে, বা নেহাতই অপুকেই একটা চিঠি, শুরুটা হবে এইভাবে, “প্রিয় অপু, তুমি ভাবিতেই পারো নাই আমার হস্তে আবার এই পত্রখানা পাইবে, কিন্তু আজিকার দিবসে সকাল হইতে রোদ্দুর মাখিয়া, তোমার বারমুডা পরিয়া গায়ে হাতে পায়ে তেল মাখিয়া মনে হইতে ছিল এরকম সুন্দর একখানি সুন্দর দিবস তোমার সঙ্গেও কাটাইতে পারিতাম…”, মাফ করিবেন, মানে নিজেই নিজেকে করলাম আর কি, যা তা লেবেলের কাব্যি হয়ে যাচ্ছিলো, মানে বারমুডা পরে তেল মাথার কথা অব্দি তাও ঠিক ছিল, কিন্তু সেটা অপুকে সঙ্গে করে! এটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছিলো।

ঠিক আছে, আপাতত এটা বোঝা গেলো, বারমুডার আসল মালিককে চিঠি লেখা যাবে না, সোজাসুজি বারমুডাকেও চিঠি লেখাটা আমার অসামান্য লেখক প্রতিভার ক্ষমতার একশত কোটি ক্রোশ দূরে। তাহলে!

ইউরেকা, ইউরেকা…না, আমি এখুনি এই পোশাকে দৌড়ে গিয়ে বাথটবে নামতে যাচ্ছি না, কারনটা সিম্পেল, আহা কারনের দরকার নেই জানি, সবাই বারমুডা নিয়ে গল্প পড়তে বসে আমার ইউরেকার গল্প শুনতে চাইছ না, কিন্তু কিছু করার নেই, আমি বাপু স্বভাব লেখক, ভাবনার দাস বলতে পারো, একটু সব জিনিস নিয়ে না  ঠিক জমে না, আর না পড়তে ইচ্ছে করলে কেউ মাথার দিব্যি দেয়নি যে পড়তেই হবে, ভাগ বোকা ছেলে! (BC, এটার পরে একটা স্মাইলি দেওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল!)। আসলে তেল মাখার কথা ভাবা আর বাথটবে না যাওয়ার কারনটা সহজ, এখন শীতকাল, আর আমি দিব্যি দুতিনদিন তিন চারবার করে পারফিয়ুম লাগিয়ে গন্ধ স্নান করতে পারি।

ফেরত এসো বারমুডাতে, তোমাদের না আসলেও চলবে, আর সত্যি বলতে কি আমি ডাকিওনি, গল্পে ফেরত আসতে বললাম।

অপু আর আমি খুব ভালো বন্ধু ছিলাম, এতটাই ভালো যে আমরা একসাথে প্রচুর সময় কাটাতাম, ও আমার বাড়িতে বা আমি ওর বাড়িতে, সেই ক্লাস এইট থেকে, না না, অমলকান্তির গল্প লিখতে বসছি না, প্রমিস! আমাদের ইংরিজির টিচার ছিলেন ধিরেনবাবু, হ্যাঁ, তখন ডি. এম. এর মতো শর্ট বলতে শিখিনি, তো আমরা মোটামুটি একসাথে পড়তাম, একসাথে লিখতাম, একসাথে সময় সুযোগ হলে খেতাম, ক্লাস পালিয়ে গঙ্গার ধারেও গেছি, অবশ্য তখন কলেজে পড়ি। আমাদের বাড়ির লোকের ধারণা ছিল এরা প্রচণ্ড ভালো বন্ধু, আমরাও তাই জানতাম। আমাদের বন্ধুরা বলতো, তোদের তো আলাদা করাই যায়না রে! সত্যি বিন্দাস বন্ধু ছিলাম। আমার আর অপুর দুজনেরই দুটো সাইকেল ছিল, সেটা করে আমরা স্কুলে যেতাম, পড়তে যেতাম আর মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে গঙ্গার ধারে। সত্যি গঙ্গার ধারে যেতে আমার দারুন লাগতো, হয়তো এখনও লাগে। আমি পড়তাম টি শার্ট আর জিন্স, আর অপু ওর বিখ্যাত বারমুডা…সবুজ রঙের, গাড়ীর ছোপ ছোপ। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন মশাই, সেই বারমুডাটি, যেটি বর্তমানে আমি পড়ে আছি। সব থেকে মজার কথা, অপু ক্লাস সেভেন পর্যন্ত নাকি জাঙ্গিয়া পড়তো না, আহা কি সুখের জীবন ছিল ওর! আমাকে তো বোধহয় জন্মই দেওয়া হয়েছিলো ওইসব পড়িয়ে, থাক সেসব কথা, ভাওনাও মে বেহে জানা মেরি গন্দি আদত হে!

একবারের গল্প বলি, তখন আমি কলেজে পড়ি, সক্কাল সক্কাল অপুর ফোন, আজ কলেজ যাবো না, আজ যাবো গঙ্গার পাড়ে, একটা নাটকের গল্প বেশ মনে ধরেছে, কাল সারারাত ঘুমোইনি, ভিক্টোরিয়া জেগে যাবেন বলে তোকে বলা হয়নি, তুই আজ কালটি মেরে দে, চল আমার সঙ্গে, তোকে পুরোটা না বললে শান্তি হচ্ছেনা। আহা, ভিক্টোরিয়া আমি নই, আমার পরম শ্রধ্যেয় মাতৃদেবী, আর অপুর কথা মানে আমার কাছে আদেশ, অমান্য করলেই তিনি নিজে সক্কাল সক্কাল আমার বাড়িতে এসে হাজির হবেন নাটক শোনাতে, সেটা বেশ বিরক্তিকর ব্যাপার। অতএব…

আমি বেশ সেজেগুজে…হ্যাঁ আমি সাজতে ভালোবাসি, নীল রঙের জামার সাথে, পিঙ্ক রঙের নেলপালিশ সুতপা মেনেজ করতে পারে, আমি পারি না। তো যা বলছিলাম, আমি বেশ সেজেগুজে, যতটা কলেজের জন্যে করা যায় আর কি, হাজির হলাম সেক্সপিয়ারের আসরে, সকাল দশটা, আমি স্টেশন পেরিয়ে সাইকেল নিয়ে, পিছনের কেরিয়ারে ব্যাগ আটকে চলেছি গঙ্গার ধারে।

অপু আগেই পৌঁছে গেছিলো, আমাকে জীবনের চরমতম আশ্চর্য করে ওর বিখ্যাত সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ বারমুডা পড়ে। জীবনে খুব কমই অবাক হয়েছি, যে কয়েকবার হয়েছি, তার মধ্যে এটা একটা! আমি বললাম, তুই এটা পড়ে কলেজ যেতিস? অম্লানবদনে জবাব এলো, এক্কেবারে খেয়াল করিনি গুরু, আজ বাবা আমায় পেদিয়ে পোদ্দার করে দেবে। দুর্ভাগ্যবশত, ওর পদবি পোদ্দার!

দুর্ভাগ্য কিন্তু অপুর সঙ্গ সঙ্গেই ছিল। আসা যাক সেই গল্পে, আহা ভাবনা তো একটা জ্যান্ত প্রাণী নাকি! সেও তো আমারই মতন চলতে ফিরতে পারে! আমার দাদার বিয়ে, অবধারিতভাবে অনিমন্ত্রিত কাঁঠালি কলা অপু। সে তার কাঁঠালি কলা সঙ্গে নিয়ে, আহা সত্যিকারের কলার কথাই বলছি, তিন দিন আগে থেকে আমার বাড়িতে। আমার দাদার প্রেম করে বিয়ে, সেটাকে লিখিত ভাষায় অন্য কিছু বলে কি না জানি না, অতএব আমি বউদিকে চিনি ভালো করে, সেও আমাকে চেনে, (বিয়ের পড়ে হাড়ে হাড়ে চেনার কথা! সেটা তিনি ভালো করেই চিনেছেন আশা করি!), আর আমার সঙ্গে আমার স্যাঙ্গাৎ অপুকেও চেনেন।

তিনদিন আগে থেকে আমার বাড়িতে অপু এসে গেলেন দু-কাঁদি কাঁঠালি কলা নিয়ে, কাজের সময় খেতে ভুলে গেলে সবাই কলা দিয়ে যেন ম্যানেজ করতে পারে! অদ্ভুত লজিক। আমার বিজ্ঞ বিজ্ঞ দাদাটি এইসব দেখে এই মারে কি সেই মারে! সে আর কিছু করার নেই, আমার অপু, আমারই দোসর…তাহার বুদ্ধি, চিন্তা ভাবনা বৃহস্পতি গ্রহ থেকে আসিলেও সেটাকে সমর্থন করা আমার আমাশা হওয়ার পরে পটি যাওয়ার থেকেও বেশি দরকারি। অবশ্য মা কিন্তু দারুন আনন্দ পেয়েছিল। আমার কথা ছেড়েই দিলাম! টবে সমস্যাটা ছিল অন্য, কুকুরছানা যেমন তাহার মাতৃদেবী ছাড়া বাঁচে না, যেমতি ব্যাঙ্গাচি জল ছাড়া মৃত, তেমতি, একঘর লোকের সামনে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, গত এগারোটি বছর ধরিয়া (ঠিক আছে, ধরলাম বারমুডাটি’র বয়স চার, তাহলেও…!) তাহার ট্রেডমার্ক সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ নিয়ে এক্কেবারে বিন্দাস এখানে ফুল লাগানো, ওখানে মাসতুতো দিদিকে নিয়ে পার্লারে নিয়ে যাওয়া, পিসতুতো দাদার ছেলেকে নিয়ে সার্কাসের ক্লাউন হয়া…সব করে গেলো।

আমার একটাই ভয় ছিল, সন্ধ্যেবেলা যেন যা তা, মানে ওই বারমুডাটা পরে না চলে আসে! আসেনি…সন্ধ্যেবেলা, আমি যখন মোটামুটি তিনটে লেয়ারের মেকাপ লাগিয়ে আমার নাভি বের করা লেহেঙ্গাতে তৈরি, সারারাত ব্যয় করে সত্যিকরে ঘুমিয়েছি, যাতে চোখের নীচে একটুও কালো না লাগে, অবশ্য তার আগে মাঝরাত অব্দি সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচেছি, অপুর গ্লাস থেকে একটুখানি মালও খেয়েছি, (সেটা অবশ্যই সবার ঘুমনোর পরে), অপু এলো, আমারই পছন্দ করে দেওয়া সোদপুরের পাঞ্জাবী বাজার থেকে কিনিয়ে দেওয়া ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবী, আর গাড় মেরুন রঙের কাজ করা লাল রঙের ধূতি পড়ে…সত্যি সেদিন আমি জীবনে প্রথমবার ওকে ভালোবেসে ফেলি…!!! আমি ক্ষমা চাইছি, এভাবে সবাইকে বলে ফেলার জন্যে। কিন্তু ভালবাসাটা বেড়ে গেছিলো, সেদিন ওকে আবিষ্কার করার পরে, যখন জানতে পেরেছিলাম… সেদিনও ধুতির নীচে ওর সেই সবুজ বারমুডাটা ছিল, গাড়ীর ছোপ ছোপ…

ও হ্যাঁ, অনেক রাত হল, আমি আর ভাবতে পারছি না… যেটা বলা হয়নি, সেটা হল, আমি সিগারেটের সাথে রাম খাচ্ছিলাম, এটা আপনারা কতটা ভাবতে পারেন জানিনা, বাবা-মা না থাকলে আমি বাড়িতেই আমি খাই! আর আমি খাবো আমার স্বামী সঙ্গে থাকলেও। সে আর আমার বয়ফ্রেন্ড আর নেই, কাল বিয়ে আমার… শুভেচ্ছা দরকার খুব একটা নেই, এগারোটা বছর খুব কম নয়, বাকিটা দেখা যাক…!!!

সৌগত

09.01.2017

wp-01

A few days before, I went to Pushkar with my family in my car. There we stayed in a beautiful cottage type hotel where there were lots of greenery and natural beauty. While returning, my wife asked the gardener for some branches of a few trees. She wanted to plant those at our house. We brought those branches all the way from Pushkar to Gurgaon, then kept them in salted water in enough sunlight for 2-3days. In the meantime bought some pots with fertilized soil and one fine morning put those branches one by one in the pot. Actually there were three saplings. One was Indian Rose, and rest two were of two different colored China rose, one light saffron colored and another cherry red. Unfortunately the pot where we planted the rose sapling was broken and it didn’t show any sign to live in our place. Slowly it lost its green and died. Somehow, I believe it didn’t like our place. Then we were left with two very sensitive, tender saplings of China rose. Both of them were losing their hope to stay alive.

It became my routine, everyday morning, I wake up, then spend some good time with those dying plants, water them, touch their yellowish leaves and get ready for my office. It continued for more than one week. Slowly they were dying and I could not do anything. They were losing their leaves very fast.

It was a Sunday morning, I still remember, I woke up, went to the balcony where I have kept them, sat beside them with a mug of fresh water, surprisingly saw the leaves were looking a bit firm, not like dying till yesterday. I was very happy then. It was really a great news to see them finally they got back their strength to live. The very next day found the leave, which was trying to grow, turned yellow, pale and fell down. I spent some more time with that plant that day. Another plant was ok. It was also not in very good health but somehow retained its strength. This continued another week and to my surprise and valuing my hope both the plants became strong enough to hold the soil, stay firm and started growing, showed all good signs to come out of coma. I was very happy to see those two brothers grow, live their life in two small pots.

Now compare this with our own life. We see our kids (though I don’t have any till date). It is like seeing your own self growing infront of you. The seed you planted is slowly, systematically taking a shape, sometime fighting with wounds, illness etc but never giving up the hope to stay alive and you are also not letting him to think like that.

Having a kid is not an easy job. It’s the woman who carries baby in her womb for long nine months withstanding lots of pain, trauma and then the Labor Day pain. After giving birth, direct pain for another one month and then another struggle, nourishing, caring a lump of alive flesh to live, understanding its needs in time and provide that accordingly. It is never an easy job but after seeing that china rose grow, get back its life, seeing its tenacity to live in this earth, somehow I have started feeling the urge of seeing my own self growing infront of me.

It is strange and a bit weird too seeing myself spending time in writing a blog on this rather than discussing the same at my home, with my better half but one thing is clear, blogging is not sending a message to someone, it is kind of expressing yourself and in that way I am not wrong. Life is not a MS Excel sheet where you write the formula and get a desired result. It is actually a refined battle, where a single bullet can cause more harm than a missile.

 

Debraj

30.09.2016

Gurgaon

pause

It’s been long I actually wrote something. Sometime we prolong our break and sometime we just ponder on work. It’s kind of our psychology. Sometime we nourish our hobbies and sometime we just let things go on as it is. The gap period was like that. I let the life move on of its own without much involving my own self in to it.

I concentrated on job, maintained a harmony of relationships with friends and relatives, tried my best to manage some time for regular exercises, quit smoking for a few good weeks and again didn’t take much time hug it. In these few months, I went to some places like Udaipur, then another trip to Ajmer-Pushkar.

I managed to meet some old friends, had sufficiently enough volume of alcohol of various brands and just let that six months approx time flow like nothing. I didn’t do anything specific but honestly that’s the most satisfying thing. Sometime it really feels good when you actually don’t do anything. This is the time, when you don’t daydream, don’t concentrate much on romanticism, poetry, and don’t find much interest in love making or watching porn.

This is the time when you just don’t bother if speedometer of your car starts crying, you just give bullshit to what your bosses or colleagues talk in your back. You don’t bother to maintain a good health, you don’t ask for a good book to read at leisure, you don’t start a new TV series.

This is the time when you just give damn to some unknown or semi known extra-marital affairs of your very so called near or dear ones and besides, you don’t feel any urge to start one with someone.

It’s just cool, like flowing river, it’s like continuous snowfall without bothering where am I settling may be on top of trees, on stones, on rivers or whatever it is.

And then slowly you start feeling, after so many struggles, after so many real days, you got a real life to live. Then you sleep naked, putting air conditioner on super chilled mode, consume a full 750ml of good wine with ‘n’ numbers of cigarettes, turn left, keeping hands at ninety degree with your body, making a proper ‘F’ where lower hand is managed with your erect dick.

Debraj

22.09.2016

ও নিজেই গল্প করে ব্যাবসা চলছে মোটামুটি ভালই, আস্তে আস্তে মার্কেট বাড়ছে, লোকে চিনছে ওর প্রোডাক্ট, ভালো ভালো কমিশন রাখছে সেলারদের জন্যে। শুরু থেকে মানুষ কিছুই শিখে আসে না, তাকে আগে নিজের পায়ে দাঁড়াতে জানতে হয়, বুঝতে হয় সব কিছু, তখন পদে পদে তাকে গাইড করার জন্যে লোক থাকে, কখনও বাবা মা, কখনও অন্য বড়রা। আগে একান্নবর্তী পরিবারের যুগে বাচ্চারা খুব ছোটবেলা থেকে কথা বলতে শিখে যেত, এখন ঘর ছোট হয়েছে, বাগান শেষ হয়েছে, বাবা মায়ের ব্যাস্ততার মাঝে অবসর কম, বাচ্চারা শিশু থেকে হটাত বালক হয়, তারপর হটাত করেই একদিন কেমন বড় হয়ে যায়।

কি করছিস ভাই ছাদে দাঁড়িয়ে, তারা গুনছিস নাকি? মস্করা করলো নন্তু। নন্তু অবশ্য এইদশাটা জানে অর্কর। অর্কর এরকম স্বভাব আছে, মাঝে মাঝেই নিজেতে হারিয়ে যায়, কোন অদ্ভুত কিছু নিয়ে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে পরে।

নন্তু এক কথা বল, ছোটবেলায় যখন পরীক্ষার খাতা বের হতো বাড়িতে দেখানোর জন্যে, কেমন লাগত তখন?

নন্তু ঘুরল, তাকাল আকাশের দিকে, তারপরে আস্তে করে বলল, ঠিক ওই আকাশের মত, মনে হত খারাপ পরীক্ষা দিয়েছি তো জানতামই, শুধু শুধু বাবা-মা’র কাছে বেইজ্জত করার কি দরকার বাপু!

অর্ক হেসে ফেলল, নন্তু কোন কালেই ভালো নাম্বার পাওয়াদের দলে ছিল না, ওর বাড়ি থেকেও সেরকম কোনও চাপ ছিল না, খারাপ নাম্বার পাওয়ার পরে ওর বাবা-মা কে কখনো মুখ লুকোনোর দরকার পড়েনি, যেমনটা ওর বাড়িতে হতো, খারাপ নাম্বারের থেকেও বড় ছিল পাড়াতেই অন্য আরেকটি মেধাবী ছেলের বেশি নাম্বার পাওয়া, অর্ক চেষ্টা করতো না, তা নয়, কিন্তু সেই ছেলেটা আরও বেশি চেষ্টা করতো, আরও বেশি নাম্বার পেত, ফল হতো এইযে বাবা অফিস থেকে ফেরার পরে কখনও খুব করে ঝাড় পড়তো, কখনও মন খারাপ করে মা একবেলা খাওয়া ছেড়ে দিতেন। এই ফ্রাস্তেসানটা কখনও যায়নি অর্কর। একসাথে বিকেলে খেলতে যাওয়া, তারপরে আবার পরের দিন সকালে এক থালা ভাত খেয়ে স্কুলে যাওয়ার মধ্যেও কোথাও একটা সেই হীনমন্যতা কাজ করতো সারাক্ষণ। মনে হতো বাবা মা এতো কষ্ট করে বড় করছেন, কিন্তু সে তার কোনও প্রতিদান দিতে পারছে না, চেষ্টা করেও। নন্তুর সেইসব চাপ ছিল না, খাতা বেরোনোর পরেও বিন্দাস বিকেলেবেলা ডাকতে চলে আসতো খেলার মাঠে যাওয়ার জন্যে।

এখন বেসরকারি অফিসে চাকরি করা, হাজারটা ঝামেলা, যন্ত্রণা, মীটিং, কর্পোরেট পলিটিক্সের মাঝে যে দুদণ্ড সময় নিজের জন্যে বাঁচে, সেই সময় ভাবতে ইচ্ছে করে, ছোটবেলাটা তার খারাপ ছিল না, বেশ আনন্দেরই ছিল, শুধু ওই প্রতিযোগিতার গরম নিশ্বাসটা এখনও মাঝে মাঝে রাতের ঘুম নিয়ে খেলা করে, খারাপ নাম্বার পাওয়াটা ততটা দুঃখ দেয় না, যতটা দেয় সেইসময়ের মানসিক যন্ত্রণাটা। আজ আপাতসফল জীবনের মাঝেও সেইদিনের ক্ষতগুলো ভুলতে পারে না সে, ফিরে যাওয়ার সুযোগ থাকলে, সে শুধু পড়াশুনা করতো, কোনও প্রতিযোগিতায় না জিতে, জেতার চেষ্টাও না করে।

 

WP 1A couple of days before, while cleaning up my room on weekend, after a booze party on Friday night at my place, I got some papers in my room, kind of torn pages from a diary or journal. There was not a single good words written there about me. Yes after working hard in office, spending good enough time at home, managing all the financial needs, buying new stuffs whenever required, dealing with familiar tensions, I was actually having a mind-set that I am doing good. I even gave myself 9 out of 10 in everything. I didn’t show my anger to anyone, I accepted my personal discomfort when I had to support my family, but there was not a single good words written there about me. Yes, after reading those, the whole day I spent in understanding what went wrong and what fault I made. Yeah, I got a few. I understood a few things I ignored considering it would not be noticed but it was noticed and noted down. All of a sudden I started feeling very low. It felt like I failed in an exam though I tried my level best.

WP 2Some negative thoughts also came in my mind like I must not do any more good things. I would have to ask the writer about the false blames, but slowly after spending a whole day with myself, after writing out a small poem, after watching India-Sri Lanka cricket match, I regained my mental spirit and decided not to live in any kind of negativities around me. I made a few rules, regulations for myself to follow. I don’t know how much my readers will connect with this but atleast it made me feel happy, made me strong enough to move on.

  1. Never get in to an argument which has no ending
  2. Never listen what other people say about you
  3. You didn’t take birth in a day and that was also not in your control. Handling any situation demands time and be wise to allot that
  4. Nothing comes for free, not even social service. You get tax exemption, happiness and sometimes a bit fame too
  5. Those who doesn’t have enough work or those who have never achieved anything in their life of their own, are the front runner in criticism business, avoid them
  6. Nurture hobbies, don’t make yourself so busy so that you don’t get time for what you actually enjoy
  7. Don’t keep grudge on anything or anyone, immediately react but don’t drag that far
  8. Enjoy companies of friends, but remember, if you enjoy, then only or else not necessary to get surrounded by people
  9. Exercise without fail. Alarm clock should not wake you up, but your passion should
  10. What is right is always right and what is wrong is always wrong. No need to live with something wrong hoping it will be right someday. It will never be
  11. Study even when you are earning good because studies keep you updated with things and works as natural brain refresher
  12. Attend calls, send mails, chat with people but avoid expecting anything
  13. Save money, save more than you could. Make savings a habit more important than earning also
  14. Enjoy every second. The moment you are dull, you must be sure very soon your surroundings would be dull and you would land in to a soup, middle of nowhere
  15. You can’t change anyone, so don’t try. Yes remember, you also don’t change yourself for anyone. You are fine, good enough
  16. Apart from all the above the things, do some meditation every day and walk for atleast 10,000 steps

WP 3

Debraj

15.02.2016

Gurgaon

WP 3A very alarming situation is in India. Whatever you comment, say or notice, are actually under the strict scanner of Government and their followers. A few days before, SRK’s film (I do agree that it was one of the worst movies I have ever seen) was protested by lots of followers around the country because in one of his interviews, he commented India as an intolerant country. I have seen the interview, live in TV, he was asked, will you return your award as lot of Indian writers, film makers are returning? He with his most dignified way replied politely, one should respect another person’s way of treating people. They felt this is the way to protest against something. If situation demands, if I feel the same way, obviously will return my awards too. Simple. He made his point. The whole team of Bhakts made it a strong statement against nationality. They even suggested him to move to our neighbour country. The protested in almost every theatre halls and left no stone unturned to make the film a flop. Yes, Dilwale was not flop but didn’t do business upto mark also.

This is not a case of a film only but affecting friendships, relationships and social goals at large. Now a days, social media is playing as the most important part in deciding a thing. People were ferociously commenting against the film, and literally threatening people for not watching it, or kept on making fun who strongly protested the situation and went on to watch it.

We didn’t learn from any of the incidents.

In Dadri WP 1case, one Muslim was killed by a few angry people. I don’t know what was the actual reason, castes’ or something else but whatever it was, was strong enough to divide people in to two separate classes. One, who said, whatever happened, should not be happened, and another, make it happen in other places too. They spoke out about the incidents in Malda too. According to these sick people, media hyped the incident in Dadri as there a Muslim family was attacked but the same media is keeping their mouth shut as in Malda, Hindu people were attacked by Muslim. WP 2It seems like Bhakts are the only patriot in India and mature people who can lead India from the front. Very serious situation indeed.

A few days before, one student committed suicide in a University in Hyderabad. Now the whole Indian politics are upto this. People are trying to make it an Anti-Dalit incident and the Government in Centre to trying to nullify the incident telling, nothing of that kind happened in actual. The politically biased media also playing a dual game, they are making each and every issue a complex one, a really tough to situation to handle. Funny thing is, now Bhakts have already declared the person who committed suicide as a dormant ISIS agent and without verifying the source of data or its reliability, posting it in Facebook, making memes, cartoons and fighting in every kind of social media.

May be who is in Power, writes the history, but whatever it is, is not good for the health of a country as a whole.

Personally, I have a lot Muslim friends and a lot Dalit friends, I have never felt threatened or tortured. I am sure they also feel the same about me. Then why to create such confusions and then invite an ocean to engulf a whole civilization. Already the word is not in a good shape now. WP 4North Korea and South Korea are increasing more and more tensions day by day, US is threatening China every alternate day, India is still having daily fight with Pakistani intruders and Pakistan is more busy dealing their internal ‘Game of Thrones’. Seeing all these things also, why still we are trying make this country an intolerant one. Let people do whatever they want to do, just ensure that I am not being harmed, our future, our next generations are not being harmed. This Hate-Policy will not ensure safe ruling but will result in to another Divide and Rule massacre.

Kabir

22.01.2016

Hurgaon