Archive for the ‘Bloggers Block’ Category

Probably after long one month, I finally got some time to spend with myself. Honestly this new job is really checking my capacity to handle stress, tension, work load everything. Everyday morning, I wake up at 7 am, then immediately after waking up, I rush to washroom, get ready, prepare breakfast while getting ready, pack it in lunch box, put it in a bag, arrange my office bag, take car key and start rushing in the Mumbai traffic. Then try not to honk at any point of time on the way to my office putting FM on high pitch and reach my office after travelling 43 km in 1 hour, if lucky, park my car outside office in open parking area, assemble by trouser, take the laptop bag in shoulder, lunch box in other hand start running for lift. Then the permutation combination phase, which life will come fast and probability of getting in is higher as there is no queue in front of life. After participating in that race, I reach office with a smiling face enjoying good morning wish by my sub-ordinates and finally settle, better say leave my ass to settle on a cushy mushy chair. Office boy brings a glass of water and then a hot coffee. The moment I open my laptop and start checking mails in outlook and newspaper in google chrome, intercom rings, hey man, good morning, can you please come for 1 minute? Sometime I think of replying, no sir, I can’t come, but I can’t because at this point of time, I am not having any back up job in my hand and I have a wife, I have a social status, I have a bunch of friends, I have handful of well-wishers and a bunch of bad wishers as well around me who may forget to shit in the morning but never forget to keep their watchful eyes on me. So I can’t just type a letter and throw that on my boss saying, fuck off! Hey, come on, don’t get me wrong, I am not at all frustrated with my job. Actually I enjoy working whole day, attend meetings, taking decisions, make fun of any small funny incidents and take charge of a whole bundle of deliverable. Anyway, I work whole day till evening, may be by 7 pm, I log off and again take my car key to jump in to the battle of returning home. In evening, I usually take long 2 hours to reach at home. So I reach around 9 pm every day, feel blessed when my wife offers me cooked food. O yes, sometime, I take a peg of whiskey and act like drunk to forget all the shit I did whole day including travelling to office and returning back and then enjoy my dinner while watching TV. Then I go to sleep.

So that my daily ordeal. I just don’t do anything apart from the above mentioned schedule. I may take 30 min more in one activity than other but overall the story is same.

Ok now, I guess you are much tired of reading my boring story because I guess you also got almost same like mine. Then let me tell you another story, funny is this is not funny and I assure, your story matches mine and for obvious reason my story matches exactly with yours. To be honest, we everyone have same story in life and still we try to extract thrill out of it. You earn, you socialize, you take responsibilities both at home and at work place, in both place you get bare minimum hike in your salary as well as importance at your home. You earn, you spend, sometime for yourself and most of the time for others only to remain included in that circle but most of the time you end up with getting criticized for what you haven’t done at all, still you smile, keep yourself busy in aspiring more and more with a dream of achieving everything in life as soon as possible hoping there is a world, where everything you do is appreciated without any miss and you continue living. You earn, you fight to streamline what is not in order. With your hard work, dedication, you reach closest to that place and find out while concentrating on one thing, you missed another thing. You again try to assemble that. Your job is never finished.

Hey cool, no need to thank me, we all are co-traveler in same boat. We will never reach our destination and please don’t get frustrated for that. Let’s keep trying.

Sougata

24.05.2017

Advertisements

bermudaভাবা আর করার মধ্যে যতটুকু গ্যাপ লোকের থাকে, আমার তার থেকে একটু হলেও বেশি থাকে, আমি বাপু ভাবতে ভালবাসি, করতে মোটেই ভালবাসিনা আর ভাবনা লিখে ওঠার কথা মাঝে মাঝে ভাবতে ভাবতে আমি আবার ভাবতে বসে যাই। কিন্তু আজ আমি ঠিক করেছি লিখবো, জম্পেশ একটা ভাবনার কথাই লিখবো, সেটা লিখতে গিয়ে আমার ঘুম এসে গেলেও আমি লিখবো, আর লিখতে লিখতে আরও বেশি ভাবনা এসে গেলে সেগুলোকেও আধপেটা করে পিটিয়ে টুপটাপ লিখে ফেলবো। লেখার আগে আমার লেখার কায়দা কানুনগুলো একটু ঠিকঠাক করে নিতে হয়, তার মধ্যে প্রথম হল দরজা জানলা বন্ধ করা, দ্বিতীয় হল ল্যাপটপে সবকটা শপিং সাইট বন্ধ করা, তারপরে তিনটি গুনে গুনে সিগারেট বাবার প্যাকেট থেকে ঝেড়ে খাটের তলায় লুকিয়ে ফেলা। এইসব হয়ে গেলে আসে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, খানিকক্ষণ ভাবলাম সেটা লেখা ঠিক হবে কিনা, কিন্তু ঠিক ভুল ভাবতে বসলে আমি আবার ভাবতেই থাকব, লেখা আর আমার দ্বারা আজ হচ্ছে না। হ্যাঁ, সোজা-সাপটা বলে দি, আমি অন্তর্বাস পরে লিখতে পারিনা, তাই সবার আগে সেটা ত্যাগ করি, তারপরে বাবার অনেক পুরনো একটা জ্যেলজ্যেলে ফতুয়া আছে, সেটা গলিয়ে নি, আর নীচে অপুর বারমুডা।

এবার প্রশ্ন আসবে, অপুটা কে? ঠিক আছে, উত্তর দিচ্ছি, অপু আমার এক্স বয়ফ্রেন্ড। আর হ্যাঁ, অপু নামটা মোটেই আসল নয়, নকল লেখার একটা সুযোগ আমি ছাড়লাম না, কিন্তু এই একটিই। হ্যাঁ টা যা বলছিলাম, মানে ভাবছিলাম, বারমুডাটা সবুজ রঙের, উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ করা, বেশ পুরনো, সামনের দিকে একটা চেন আছে, আর অপুর যেটা হাঁটুর উপর অব্দি হোতো, সেটা আমার থ্রি-কোয়ার্টার হয়ে গেছে। হথাত মনে হল, আজকের ভাবনাটা এই বারমুডা নিয়ে লিখে দিব্যি চালিয়ে দেওয়া যায়। বেশ ভাবাও যাবে আর সঙ্গে লেখাও যাবে, আর অপু এবং তার বারমুডার ইতিহাসটা নেহাতই সাদামাটা নয়। হ্যাঁ, তাহলে এইবার ভাটের বকবক বন্ধ করে কিছু লেখা যাক।

ওকে, কীভাবে লিখবো? অ্যানা ফ্রাঙ্কের মতো বারমুডাকে চিঠি লেখা যেতে পারে, বা নেহাতই অপুকেই একটা চিঠি, শুরুটা হবে এইভাবে, “প্রিয় অপু, তুমি ভাবিতেই পারো নাই আমার হস্তে আবার এই পত্রখানা পাইবে, কিন্তু আজিকার দিবসে সকাল হইতে রোদ্দুর মাখিয়া, তোমার বারমুডা পরিয়া গায়ে হাতে পায়ে তেল মাখিয়া মনে হইতে ছিল এরকম সুন্দর একখানি সুন্দর দিবস তোমার সঙ্গেও কাটাইতে পারিতাম…”, মাফ করিবেন, মানে নিজেই নিজেকে করলাম আর কি, যা তা লেবেলের কাব্যি হয়ে যাচ্ছিলো, মানে বারমুডা পরে তেল মাথার কথা অব্দি তাও ঠিক ছিল, কিন্তু সেটা অপুকে সঙ্গে করে! এটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছিলো।

ঠিক আছে, আপাতত এটা বোঝা গেলো, বারমুডার আসল মালিককে চিঠি লেখা যাবে না, সোজাসুজি বারমুডাকেও চিঠি লেখাটা আমার অসামান্য লেখক প্রতিভার ক্ষমতার একশত কোটি ক্রোশ দূরে। তাহলে!

ইউরেকা, ইউরেকা…না, আমি এখুনি এই পোশাকে দৌড়ে গিয়ে বাথটবে নামতে যাচ্ছি না, কারনটা সিম্পেল, আহা কারনের দরকার নেই জানি, সবাই বারমুডা নিয়ে গল্প পড়তে বসে আমার ইউরেকার গল্প শুনতে চাইছ না, কিন্তু কিছু করার নেই, আমি বাপু স্বভাব লেখক, ভাবনার দাস বলতে পারো, একটু সব জিনিস নিয়ে না  ঠিক জমে না, আর না পড়তে ইচ্ছে করলে কেউ মাথার দিব্যি দেয়নি যে পড়তেই হবে, ভাগ বোকা ছেলে! (BC, এটার পরে একটা স্মাইলি দেওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল!)। আসলে তেল মাখার কথা ভাবা আর বাথটবে না যাওয়ার কারনটা সহজ, এখন শীতকাল, আর আমি দিব্যি দুতিনদিন তিন চারবার করে পারফিয়ুম লাগিয়ে গন্ধ স্নান করতে পারি।

ফেরত এসো বারমুডাতে, তোমাদের না আসলেও চলবে, আর সত্যি বলতে কি আমি ডাকিওনি, গল্পে ফেরত আসতে বললাম।

অপু আর আমি খুব ভালো বন্ধু ছিলাম, এতটাই ভালো যে আমরা একসাথে প্রচুর সময় কাটাতাম, ও আমার বাড়িতে বা আমি ওর বাড়িতে, সেই ক্লাস এইট থেকে, না না, অমলকান্তির গল্প লিখতে বসছি না, প্রমিস! আমাদের ইংরিজির টিচার ছিলেন ধিরেনবাবু, হ্যাঁ, তখন ডি. এম. এর মতো শর্ট বলতে শিখিনি, তো আমরা মোটামুটি একসাথে পড়তাম, একসাথে লিখতাম, একসাথে সময় সুযোগ হলে খেতাম, ক্লাস পালিয়ে গঙ্গার ধারেও গেছি, অবশ্য তখন কলেজে পড়ি। আমাদের বাড়ির লোকের ধারণা ছিল এরা প্রচণ্ড ভালো বন্ধু, আমরাও তাই জানতাম। আমাদের বন্ধুরা বলতো, তোদের তো আলাদা করাই যায়না রে! সত্যি বিন্দাস বন্ধু ছিলাম। আমার আর অপুর দুজনেরই দুটো সাইকেল ছিল, সেটা করে আমরা স্কুলে যেতাম, পড়তে যেতাম আর মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে গঙ্গার ধারে। সত্যি গঙ্গার ধারে যেতে আমার দারুন লাগতো, হয়তো এখনও লাগে। আমি পড়তাম টি শার্ট আর জিন্স, আর অপু ওর বিখ্যাত বারমুডা…সবুজ রঙের, গাড়ীর ছোপ ছোপ। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন মশাই, সেই বারমুডাটি, যেটি বর্তমানে আমি পড়ে আছি। সব থেকে মজার কথা, অপু ক্লাস সেভেন পর্যন্ত নাকি জাঙ্গিয়া পড়তো না, আহা কি সুখের জীবন ছিল ওর! আমাকে তো বোধহয় জন্মই দেওয়া হয়েছিলো ওইসব পড়িয়ে, থাক সেসব কথা, ভাওনাও মে বেহে জানা মেরি গন্দি আদত হে!

একবারের গল্প বলি, তখন আমি কলেজে পড়ি, সক্কাল সক্কাল অপুর ফোন, আজ কলেজ যাবো না, আজ যাবো গঙ্গার পাড়ে, একটা নাটকের গল্প বেশ মনে ধরেছে, কাল সারারাত ঘুমোইনি, ভিক্টোরিয়া জেগে যাবেন বলে তোকে বলা হয়নি, তুই আজ কালটি মেরে দে, চল আমার সঙ্গে, তোকে পুরোটা না বললে শান্তি হচ্ছেনা। আহা, ভিক্টোরিয়া আমি নই, আমার পরম শ্রধ্যেয় মাতৃদেবী, আর অপুর কথা মানে আমার কাছে আদেশ, অমান্য করলেই তিনি নিজে সক্কাল সক্কাল আমার বাড়িতে এসে হাজির হবেন নাটক শোনাতে, সেটা বেশ বিরক্তিকর ব্যাপার। অতএব…

আমি বেশ সেজেগুজে…হ্যাঁ আমি সাজতে ভালোবাসি, নীল রঙের জামার সাথে, পিঙ্ক রঙের নেলপালিশ সুতপা মেনেজ করতে পারে, আমি পারি না। তো যা বলছিলাম, আমি বেশ সেজেগুজে, যতটা কলেজের জন্যে করা যায় আর কি, হাজির হলাম সেক্সপিয়ারের আসরে, সকাল দশটা, আমি স্টেশন পেরিয়ে সাইকেল নিয়ে, পিছনের কেরিয়ারে ব্যাগ আটকে চলেছি গঙ্গার ধারে।

অপু আগেই পৌঁছে গেছিলো, আমাকে জীবনের চরমতম আশ্চর্য করে ওর বিখ্যাত সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ বারমুডা পড়ে। জীবনে খুব কমই অবাক হয়েছি, যে কয়েকবার হয়েছি, তার মধ্যে এটা একটা! আমি বললাম, তুই এটা পড়ে কলেজ যেতিস? অম্লানবদনে জবাব এলো, এক্কেবারে খেয়াল করিনি গুরু, আজ বাবা আমায় পেদিয়ে পোদ্দার করে দেবে। দুর্ভাগ্যবশত, ওর পদবি পোদ্দার!

দুর্ভাগ্য কিন্তু অপুর সঙ্গ সঙ্গেই ছিল। আসা যাক সেই গল্পে, আহা ভাবনা তো একটা জ্যান্ত প্রাণী নাকি! সেও তো আমারই মতন চলতে ফিরতে পারে! আমার দাদার বিয়ে, অবধারিতভাবে অনিমন্ত্রিত কাঁঠালি কলা অপু। সে তার কাঁঠালি কলা সঙ্গে নিয়ে, আহা সত্যিকারের কলার কথাই বলছি, তিন দিন আগে থেকে আমার বাড়িতে। আমার দাদার প্রেম করে বিয়ে, সেটাকে লিখিত ভাষায় অন্য কিছু বলে কি না জানি না, অতএব আমি বউদিকে চিনি ভালো করে, সেও আমাকে চেনে, (বিয়ের পড়ে হাড়ে হাড়ে চেনার কথা! সেটা তিনি ভালো করেই চিনেছেন আশা করি!), আর আমার সঙ্গে আমার স্যাঙ্গাৎ অপুকেও চেনেন।

তিনদিন আগে থেকে আমার বাড়িতে অপু এসে গেলেন দু-কাঁদি কাঁঠালি কলা নিয়ে, কাজের সময় খেতে ভুলে গেলে সবাই কলা দিয়ে যেন ম্যানেজ করতে পারে! অদ্ভুত লজিক। আমার বিজ্ঞ বিজ্ঞ দাদাটি এইসব দেখে এই মারে কি সেই মারে! সে আর কিছু করার নেই, আমার অপু, আমারই দোসর…তাহার বুদ্ধি, চিন্তা ভাবনা বৃহস্পতি গ্রহ থেকে আসিলেও সেটাকে সমর্থন করা আমার আমাশা হওয়ার পরে পটি যাওয়ার থেকেও বেশি দরকারি। অবশ্য মা কিন্তু দারুন আনন্দ পেয়েছিল। আমার কথা ছেড়েই দিলাম! টবে সমস্যাটা ছিল অন্য, কুকুরছানা যেমন তাহার মাতৃদেবী ছাড়া বাঁচে না, যেমতি ব্যাঙ্গাচি জল ছাড়া মৃত, তেমতি, একঘর লোকের সামনে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, গত এগারোটি বছর ধরিয়া (ঠিক আছে, ধরলাম বারমুডাটি’র বয়স চার, তাহলেও…!) তাহার ট্রেডমার্ক সবুজ রঙের বারমুডা আর তার উপরে গাড়ীর ছোপ ছোপ নিয়ে এক্কেবারে বিন্দাস এখানে ফুল লাগানো, ওখানে মাসতুতো দিদিকে নিয়ে পার্লারে নিয়ে যাওয়া, পিসতুতো দাদার ছেলেকে নিয়ে সার্কাসের ক্লাউন হয়া…সব করে গেলো।

আমার একটাই ভয় ছিল, সন্ধ্যেবেলা যেন যা তা, মানে ওই বারমুডাটা পরে না চলে আসে! আসেনি…সন্ধ্যেবেলা, আমি যখন মোটামুটি তিনটে লেয়ারের মেকাপ লাগিয়ে আমার নাভি বের করা লেহেঙ্গাতে তৈরি, সারারাত ব্যয় করে সত্যিকরে ঘুমিয়েছি, যাতে চোখের নীচে একটুও কালো না লাগে, অবশ্য তার আগে মাঝরাত অব্দি সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচেছি, অপুর গ্লাস থেকে একটুখানি মালও খেয়েছি, (সেটা অবশ্যই সবার ঘুমনোর পরে), অপু এলো, আমারই পছন্দ করে দেওয়া সোদপুরের পাঞ্জাবী বাজার থেকে কিনিয়ে দেওয়া ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবী, আর গাড় মেরুন রঙের কাজ করা লাল রঙের ধূতি পড়ে…সত্যি সেদিন আমি জীবনে প্রথমবার ওকে ভালোবেসে ফেলি…!!! আমি ক্ষমা চাইছি, এভাবে সবাইকে বলে ফেলার জন্যে। কিন্তু ভালবাসাটা বেড়ে গেছিলো, সেদিন ওকে আবিষ্কার করার পরে, যখন জানতে পেরেছিলাম… সেদিনও ধুতির নীচে ওর সেই সবুজ বারমুডাটা ছিল, গাড়ীর ছোপ ছোপ…

ও হ্যাঁ, অনেক রাত হল, আমি আর ভাবতে পারছি না… যেটা বলা হয়নি, সেটা হল, আমি সিগারেটের সাথে রাম খাচ্ছিলাম, এটা আপনারা কতটা ভাবতে পারেন জানিনা, বাবা-মা না থাকলে আমি বাড়িতেই আমি খাই! আর আমি খাবো আমার স্বামী সঙ্গে থাকলেও। সে আর আমার বয়ফ্রেন্ড আর নেই, কাল বিয়ে আমার… শুভেচ্ছা দরকার খুব একটা নেই, এগারোটা বছর খুব কম নয়, বাকিটা দেখা যাক…!!!

সৌগত

09.01.2017

pause

It’s been long I actually wrote something. Sometime we prolong our break and sometime we just ponder on work. It’s kind of our psychology. Sometime we nourish our hobbies and sometime we just let things go on as it is. The gap period was like that. I let the life move on of its own without much involving my own self in to it.

I concentrated on job, maintained a harmony of relationships with friends and relatives, tried my best to manage some time for regular exercises, quit smoking for a few good weeks and again didn’t take much time hug it. In these few months, I went to some places like Udaipur, then another trip to Ajmer-Pushkar.

I managed to meet some old friends, had sufficiently enough volume of alcohol of various brands and just let that six months approx time flow like nothing. I didn’t do anything specific but honestly that’s the most satisfying thing. Sometime it really feels good when you actually don’t do anything. This is the time, when you don’t daydream, don’t concentrate much on romanticism, poetry, and don’t find much interest in love making or watching porn.

This is the time when you just don’t bother if speedometer of your car starts crying, you just give bullshit to what your bosses or colleagues talk in your back. You don’t bother to maintain a good health, you don’t ask for a good book to read at leisure, you don’t start a new TV series.

This is the time when you just give damn to some unknown or semi known extra-marital affairs of your very so called near or dear ones and besides, you don’t feel any urge to start one with someone.

It’s just cool, like flowing river, it’s like continuous snowfall without bothering where am I settling may be on top of trees, on stones, on rivers or whatever it is.

And then slowly you start feeling, after so many struggles, after so many real days, you got a real life to live. Then you sleep naked, putting air conditioner on super chilled mode, consume a full 750ml of good wine with ‘n’ numbers of cigarettes, turn left, keeping hands at ninety degree with your body, making a proper ‘F’ where lower hand is managed with your erect dick.

Debraj

22.09.2016

W1

Every day morning I wake up late with lots of enthusiasm and positive thoughts. The moment after lots of struggle with irritating alarm of mobile I finally open up my eyes, I feel it’s almost sunny outside and all other members in my family except me have already finished their one hour routine job. Still i don’t mind getting up late and get ready for office within a record sprint time of fifteen minutes which includes relief from bowel pressure, bathing, dressing, and breakfast and then a Michael Schumacher drive to office. Then whole day I work in office, basically attend a lots of meetings without any idea of my presence and then indulge myself seriously on some excel sheets. In between that period of my so called busy office hours i keep on checking official mails, personal mails and obviously without any fail chew up news papers virtually. While reading a good story in news paper the first thing comes in my mind is always same, i could have been better writer than this idiot reporter. I start feeling that some reporters simply don’t have the capacity to mix thrill with story, humour with energy. Height of happiness happens then when i close all my windows in laptop except an important excel sheet and then open a new Microsoft Word file to write down something on anything. Seriously I don’t even understand how easily I can spend a day from lunch hours to office leaving hours without typing a single word because not a single topic comes in my mind. I feel of writing about the sunny weather outside, then chilling cold in night but what to write for that? Is that a new thing i am trying to write or seriously there is something I lack of. I mean a person who can think, day dream almost every day but can’t write a single page without any pre-defined subject or something on which none put a light before. Yes, I do agree Mr. Google has helped us to know more but killed a few super writing skilled powerful person like me.

Whenever I think, I come up with lots of ideas. Any kind of ideas can be generated through me, or by me. Ok, I will give an example. While in class VIII, I told my brother that i want to be a tea-vendor in future. Throughout the years he proved himself to be my most consistent listener without making fun of me and obviously without helping me developing my ideas too. Se innocently asked me, “why and how?” I shared a dream with him. I will open up a tea stall in our nearby area like bus-stand, paper vendor, and political party office. The shop will be small but with full of ideas inside. I will not hang up any posters of any great people but surely write some ideas of those great people. Like a shop with a theme to generate and develop some dreams. Then slowly I will extend my business by buying another place with the same set up. Good quality tea, good and polite person willingly entertain people with ideas and then still keeping the price competitive with the market. When there will be two tea stalls in same town, then i will expand it by buying one more place. When I will own three tea stalls, then each and every stall will bear some kind of definitive theme. Like one tea stall will have posters or materials of sports. According to me, keeping a bat and ball with a small crease with stumps will be more interesting that pasting a poster of Sachin Tendulkar. Another place may bear theme – love. I will not keep photo poster of Romeo-Juliette or Ranjha-Majnu. In place of these can keep some world known icons like lots of red & blue balloons and a table sized replica of Tajmahal.

All these are ideas and people love ideas. People develop ideas every time. Somewhere i read Mr. Bill Gates once said that he will recruit a less active person than a super active person, because less active person will always come out with a shortcut. While I travel, I develop ideas. I plan to write a lot short stories or story about how young people in India are demotivated with present political scenario of our country, I feel of writing about my maid who works all day long to earn bread for her three daughters and drug addicted husband. I think of writing about poetry believing how much I used to get appreciations from my friends. I feel of writing on women in my life but the moment I start scratching in paper by pen, suddenly everything vanishes away. Even after completing a whole paragraph of may be around 100 words, suddenly I start feeling that whatever I have written are just shit and of no use. It doesn’t give me happiness. I suddenly doubt my calibre of writing anything. I feel frustrated. After spending almost four to five hours with a single word sheet, I find myself suddenly lost the idea of writing. I start looking here and there, think anything to everything to find out an idea and discover just before writing I was full of ideas but none of the ideas satisfy or meet up the satisfaction of my urge of writing.

W2

Sometime it feels like I have an outline of an idea but have no idea on how to develop that in a systematic way.

Another pressure is that whenever I write, I start feeling myself a writer and the pressure of writing something which will be read by some people including a few whom i do know, aware of their abilities and taste light up the dormant fear of writing. The pressure of being read actually stops the fingers from typing in keyboard.

Another type of problem I face when I don’t finish writing on a single go. Like I have developed an idea after struggling for two or more days, even sometime after a long month, then i start writing. I get indulged in it forgetting satisfying hunger etc. I keep on writing with an aim to make it a novel. I continue writing for a whole week on a same story line up and then suddenly due to some pressure I leave that on table and get busy with some other work. Whatever it may be, personal or professional, but after one week when again I start writing, I find myself middle of nowhere. Though in that one week, when I was not able to write anything due to some other reasons, kept on thinking on that plot, story line ups, conclusions etc., almost everything was stored in my mind but after a gap, I feel like scrapping the idea and delete the whole file out of anger.

May be that’s not anger, it’s a kind of frustration. The same situation happens after one gets properly drunk. Alcohol inspires him to drink more and more until all the nerves stop responding but then he has to stand up and go home. He feels himself helpless. He looks after around him and don’t find anyone to help him. He understands that only a good vomiting can help him to gain some strength to finish his work or further works but that doesn’t happen.

Another problem happens when I finish up almost twenty pages and then suddenly one fine morning find that none of the characters are interesting. They actually don’t do anything except killing pages and increase the volume of some shits. The way I tried to depict them from the beginning, reached no where causing utter nuisance. Some great person once said, “we don’t fail, we just don’t give it a last try”, but while saying this, he probably didn’t understand something, i.e. generally people love developing ideas, not a substance. After failing in exam, Thomas Alva Edison probably had that belief. Instead of trying one more time to pass in an exam, he moved on doing something else and later became famous for inventing bulb.

Really I am tired of this Bloggers Block.

Hope I will get over this situation very soon.

Debraj

14.04.2015